খবরবাড়ি ডেস্কঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার ৫টি আসনের মধ্যে ৪টি আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে মো. মাজেদুর রহমান, গাইবান্ধা-২ (সদর) মো. আব্দুল করিম, গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ও গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) মো. আব্দুল ওয়ারেছ এবং গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) শামীম কায়সার লিংকনকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। গাইবান্ধা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে এ চুড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন।
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) ১ লাখ ৩৯ হাজার ২১৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী (ধানের শীষ প্রতীক) পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৬৭৫ ভোট। এছাড়াও আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পাটির ব্যারিস্টার শামীম হায়দার (লাঙ্গল প্রতীক) পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৭৩২ ভোট। স্বতন্ত্র মো. মোস্তফা মহসিন (ঢেঁকি প্রতীক) পেয়েছেন ২৭ হাজার ৪৩ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মো. রমজান আলী (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ২ হাজার ৪৩ ভোট। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক (মার্কসবাদী) পরমানন্দ দাস (কাঁচি প্রতীক) পেয়েছে ৩৯৬ ভোট। স্বতন্ত্র মোছা. ছালমা আক্তার (কলস প্রতীক) পেয়েছেন ৩৬৯ ভোট। আমজনতার মো. কওছর আজম হান্নু (প্রজাপতি প্রতীক) পেয়েছেন ১৭৪ ভোট পেয়েছেন।
গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে জামায়াত প্রার্থী মো: আব্দুল করিম (দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে) ১ লাখ ২২ হাজার ৬৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপি’র মো. আনিসুজ্জামান খান বাবু (ধানের শীষ প্রতীকে) পেয়েছেন ৯২ হাজার ৮৯০ ভোট। এছাড়াও এ আসনে জাতীয় পার্টির আব্দুর রশিদ সরকার (লাঙ্গল প্রতীক) পেয়েছেন ২১ হাজার ৩১০ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদ (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ২ হাজার ৩৬৭। জনতার দলের শাহেদুর জাহান (কলম প্রতীক) ১৯৭ ভোট। সিপিবির মিহির কুমার ঘোষ (কাস্তে প্রতীক) ২ হাজার ৩৪২ ভোট। বাসদের (মার্কবাদী) আহসানুল হাবীব সাঈদ (কাঁচি প্রতীক) ৬২৯ ভোট পেয়েছেন।
গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনে জামায়াত প্রার্থী আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম লেবু (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) ১ লাখ ৬০ হাজার ৫৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপি’র অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক (ধানের শীষ প্রতীক) পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭০০ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এটিএম আওলাদ হোসাইন (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ২ হাজার ৮১৬ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি (ঘোড়া প্রতীকে) পেয়েছেন ২ হাজার ৯ ভোট। গণঅধিকার পরিষদের মো. সুরুজ্জামান সরকার (ট্রাক প্রতীক) পেয়েছেন ১ হাজার ৭৭৩ জন। জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল প্রতীক) মইনুর রাব্বী চৌধুরী রুমান পেয়েছেন ১ হাজার ৬০৪ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজার রহমান (ঢেঁকি প্রতীক) পেয়েছেন ১ হাজার ৮৬ ভোট। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (কাস্তে প্রতীক) আব্দুল্লাহ আদিল নান্নু পেয়েছেন ৫১৫ ভোট। জনতার দলের মনজুরুল হক সাচ্ছা (কলম প্রতীক) পেয়েছেন ১৫৬ ভোট এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. মোছাদ্দিকুল ইসলাম (আপেল প্রতীক) ১৪১ ভোট পেয়েছেন।
গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপি প্রার্থী শামীম কায়সার লিংকন (ধানের শীষ প্রতীক) ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াত প্রার্থী ডা. আব্দুর রহিম (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ২০০ ভোট। এছাড়াও আসনটিতে জাতীয় পাটির কাজী মশিউর রহমান (লাঙ্গল প্রতীক) পেয়েছেন ২ হাজার ৩৩০ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ১ হাজার ৩৭৫ ভোট। বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি মো. আতোয়ারুল ইসলাম (কোদাল প্রতীক) পেয়েছেন ৩৬৬ এবং স্বতন্ত্র মো. আব্দুর রউফ আকন্দ (মোটর সাইকেল প্রতীকে) পেয়েছেন ১ হাজার ৫৪০ ভোট।
গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জামায়াত প্রার্থী মো. আব্দুল ওয়ারেছ (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) ৮৯ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. ফারুক আলম সরকার (ধানের শীষ প্রতীক) পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৮৩ ভোট। এছাড়াও আসনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাহিদুজ্জামান নিশাদ (হাঁস প্রতীক) পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৫৮৬, জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী (লাঙ্গল প্রতীক) ভোট পান ৩ হাজার ৪২৭টি। জাতীয় পার্টি থেকে বহিস্কৃত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম শহীদ রঞ্জু মোটর (সাইকেল প্রতীক) ৮ হাজার ৭০৬ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আজিজুল ইসলাম (হাতপাখা প্রতীক) ২ হাজার ২০৭ ভোট। বাসদ (মার্কসবাদী) দলের প্রার্থী রাহেদা খাতুন (কাঁচি প্রতীক) ২৪৯ ভোট। বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টি শ্রী নিরমল (কাস্তে প্রতীক) ৪৬৮ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মেহেদী বিদ্যুৎ (ঘোড়া প্রতীকে) ৪৯৯ ভোট পেয়েছেন।
Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.