1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
২৮শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৩শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পীরগঞ্জে সরিষা চাষে বিপ্লব, দুই ফসলি জমি হচ্ছে তিন ফসলি গাইবান্ধা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড-কল্যাণ সভা ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে ট্রাক্টরের ধাক্কায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর অসহায় বিচারপ্রার্থী ও দারিদ্রপ্রীড়িত জনসাধারণের মাঝে গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজের শীতবস্ত্র বিতরণ ফুলছড়িতে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে কারিগরি কলেজের শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান ইব্রাহিম আকন্দ সেলিম এসিল্যান্ড অবিদীয় মার্ডি হত্যাকান্ডের বিচারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন স্বজনরা বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির গাইবান্ধার গণমানুষের বর্ষীয়ান নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড বাদল হাজী’র ইন্তেকাল পলাশবাড়ীর হোসেনপুর ইউপি কার্যালয় পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক মুশফিকুর রহমান সাঘাটার বোনারপাড়ায় স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে বৃদ্ধের মহদেহ উদ্ধার অনিয়ম-জালিয়াতির অভিযোগে ‎প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবীতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির গাইবান্ধার গণমানুষের বর্ষীয়ান নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড বাদল হাজী’র ইন্তেকাল

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

খবরবাড়ি ডেস্কঃ বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির গাইবান্ধার গণমানুষের বর্ষীয়ান নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড একরাম হোসেন তালুকদার (বাদল হাজী) বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

সোমবার (১২ জানুয়ারি) ভোরে রংপুর ছেলের বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এদিন বাদ যোহর পলাশবাড়ী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে প্রথম এবং বাদ আসর নিজ জন্মস্থান সাদুল্লাপুর উপজেলার ঢোলভাঙ্গা জানিপুর গ্রামে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

তাঁর বিদেহী রুহের মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করে গাইবান্ধাসহ জেলার পলাশবাড়ী, সাদুল্লাপুর ও গোবিন্দগঞ্জসহ অন্যান্য উপজেলার কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী সংগঠন পৃথক বিবৃতি দিয়েছেন।

তিনি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জানিপুর গ্রামের মরহুম এসরাফিল হোসেন তালুকদার ও জোহুরা বেগম দম্পতির ছেলে।স্বাধীনতা পূর্ব ১৯৬৬ সালে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের (মতিয়া গ্রুপ) রাজনৈতিক অঙ্গনে পা রাখেন। ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান কালীন পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর তথা গোটা গাইবান্ধায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। ১৯৭০ সালে কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য পদ লাভ করেন। তৎকালীন গাইবান্ধা জেলা শহরে কমিউনিস্ট পার্টির একটি শাখা কার্যালয় ছিল। সেসময় একরাম হোসেন বাদল ছাড়াও লুৎফর রহমান রঞ্জু, আবু সুফিয়ান বুলু, গণেশ প্রসাদ ও শাহনেওয়াজ টুকুসহ অন্যান্যরা নাম লিখিয়েছিলেন।

মহান একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি স্বতঃস্ফুর্ত ভারতের আসামের মাইনকার চরে গিয়ে সশস্ত্র প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। যুদ্ধ পরবর্তী দেশে এসে তিনি প্রথমতঃ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি(ন্যাপ মোজাফফর)পরবর্তীতে সিপিবি’র রাজনৈতিক অঙ্গনে ওতোপ্রোতো সম্পৃক্ত হয়ে পড়েন। রাজনৈতিক অঙ্গণে সবধরনের যোগ্যতা থাকা সত্বেও পাটির সম্মুখ ভাগে না থেকে নেপথ্যের নেতৃত্বে তিনি সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে দল পরিচালনা করতেন। জীবন সায়হেৃর শেষ দিকে এসে তিনি বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এবং গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি পদে আসীন হয়ে তিনি নিরলস নেতৃত্ব অব্যাহত রাখেন।

সম্প্রতি সময় বার্ধক্যজনিত শারীরিক নানা অসুস্থতার কারণে রাজনীতি থেকে তিনি অবসর নেন।  এরআগে ২০২২ সালে কমিউনিস্ট পার্টির দ্বাদশ কংগ্রেস সম্মেলনে তাঁকে ‘পার্টি ভেটারেন কমরেড’ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

তিনি জন্মগত গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা এলাকার হলেও স্বপরিবারে পলাশবাড়ী পৌরশহরের (উপজেলা রোড) কাজী পাড়ায় নিয়মিত বসবাস করতেন তিনি। এ রোডে বড়বাসা’র পুকুরপাড়ে ফটোস্টেট মেশিনসহ স্টেশনারি ব্যবসার পাশাপাশি এলাকার অসহায়-অনাথ, দুঃখ-দুর্দ্দশাগ্রস্ত নিরন্ন মানুষজনকে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে পরামর্শ প্রদানসহ সার্বিক সহায়তা করতেন। গোটা গাইবান্ধা এলাকায় একজন পরোপকারী হিসেবে ব্যাপক পরিচিত প্রিয় এ মানুষটি বয়সেরভারে নুইয়ে পড়ায় পলাশবাড়ী ছেড়ে রংপুর বিভাগীয় শহরে ছেলের বাসায় বসবাস করতে ছিলেন। নম্র-ভদ্র, সৎ-মিশুক স্বভাবের সাদামাটা, সদা হাস্যোজ্জ্বল, মানুষ প্রিয় মানুষটি তাঁর কর্মজীবনের কর্মক্ষেত্রে বরাবরই মানুষকে সুপরামর্শ দিয়ে সহায়তা করে এসেছেন। সেইসাথে এলাকার অবহেলিত গরীব-দুঃখীদের ব্যক্তিগত এবং দলীয় সমন্বয়ে সাধ্যমত সহায়তার হাত উন্মুক্ত রেখেছিলেন। জেলা জুড়ে তিনি গণমানুষের নেতা হিসাবে খ্যাতি পেয়েছেন। নিরহঙ্কার মানুষটির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় তাঁর পরিবার, শুভাকাঙ্খী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ছাড়াও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মীবৃন্দ দো’আ কামনা করেছেন।

 

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft