1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:২১ অপরাহ্ন
৪ঠা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৯শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় কালোবাজারে বিক্রির সময় ২০ বস্তা সার জব্দ পলাশবাড়ীতে শৈত্যপ্রবাহে হলদে বিবর্ণ বোরো বীজতলা নিয়ে মহাদুশ্চিন্তায় ভূক্তভোগী কৃষক ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা ! নারীই সমাজ গঠনের মূল চালিকা শক্তি: এটিএম আজহারুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও-৩ সংসদীয় আসন; সব ক্ষেত্রে উপেক্ষিত নৃগোষ্ঠী, উন্নয়নের নামে এক দীর্ঘ প্রতীক্ষা গোবিন্দগঞ্জে বেগম জিয়ার আত্মার শান্তিতে সনাতনী সম্প্রদায়ের বিশেষ প্রার্থনা তারাগঞ্জে এবি পার্টির নেতা ইউনুস গ্রেপ্তার পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’-এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত পলাশবাড়ীতে আমীরে জামায়াতের জনসভা সফল বাস্তবায়নে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধার চরাঞ্চলে র‌্যাব-১৩এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা !

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

খবরবাড়ি ডেস্কঃ

দেশের বড় শহরগুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই ডাক্তারদের জন্য ওষুধ কোম্পানির দেওয়া উপহার সামগ্রী ফুটপাতে বিক্রি হতে দেখা যায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সেই চিত্র আর শহরকেন্দ্রিক নেই। উপজেলা ও ইউনিয়নের হাটবাজারেও একই দৃশ্য চোখে পড়ছে। গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন মোড় ও জনসমাগম স্থানে সম্প্রতি এসব পণ্য প্রকাশ্যে পসরা সাজিয়ে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
সাবান, টুথপেস্ট, প্রসাধনী, ডায়েরি-কলম, কেক, বিস্কুট, চা, কফি, ক্রোকারিজ কিংবা গৃহসজ্জার নানা সামগ্রী মূলত ওষুধ কোম্পানিগুলো চিকিৎসক বা ফার্মেসি মালিকদের আকৃষ্ট করতে বিনামূল্যে সরবরাহ করে। এসব পণ্যের অনেকগুলোর গায়েই স্পষ্ট লেখা থাকে “ঘড়ঃ ভড়ৎ ঝধষব” বা “বিক্রয়ের জন্য নয়।” বাস্তবে সেই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই পণ্যগুলো এখন সাধারণ বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, উপহার সামগ্রী কখনো সরাসরি, কখনো ঘুরপথে বাজারে চলে আসে। হকার ও খুচরা বিক্রেতাদের দোকানে এগুলো সহজেই মিলছে। বিষয়টি শুধু আইন বা নিয়ম লঙ্ঘনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং স্বাস্থ্যখাতের দীর্ঘদিনের একটি গভীর অনিয়মকে সামনে নিয়ে এসেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওষুধ কোম্পানির এই প্রমোশনাল ব্যয়ের চাপ শেষ পর্যন্ত গিয়ে পড়ে রোগীদের কাঁধেই। উপহার সামগ্রীর খরচ ওষুধের দামের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। ফলে সাধারণ মানুষ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি দাম দিতে বাধ্য হন। রোগী অনেক সময় বুঝতেই পারেন না, নিজের চিকিৎসার পাশাপাশি তিনি অন্য খাতের ব্যয়ও বহন করছেন।
জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষকদের মতে, উপহার সংস্কৃতি একদিকে চিকিৎসকদের প্রেসক্রিপশনে প্রভাব ফেলছে, অন্যদিকে ওষুধের দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়াচ্ছে। এতে ওষুধের গুণগত মান বা রোগীর প্রকৃত প্রয়োজনের চেয়ে কোম্পানি ও ব্র্যান্ডের প্রভাব বেশি কাজ করছে। এর ফল হিসেবে সঠিক চিকিৎসা ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।

তাঁদের মতে, চিকিৎসক ও ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির মধ্যে এ ধরনের অপ্রকাশিত লেনদেন পেশাগত নৈতিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এটি স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থা দুর্বল করে এবং পুরো ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে।
ডাক্তারদের জন্য নির্ধারিত উপহার সামগ্রী যখন প্রকাশ্যে ফুটপাতে বিক্রি হয়, তখন নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কার, সেই প্রশ্নই সামনে আসে। উপহার সংস্কৃতি লাগামছাড়া থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে রোগী, বাড়বে চিকিৎসা ব্যয় এবং দুর্বল হবে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, এখনই কার্যকর নজরদারি ও নীতিগত পদক্ষেপ না নিলে এই অনিয়ম আরও গভীরভাবে শিকড় গেড়ে বসবে।

 

 

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft