1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
পলাশবাড়ীতে শৈত্যপ্রবাহে হলদে বিবর্ণ বোরো বীজতলা নিয়ে মহাদুশ্চিন্তায় ভূক্তভোগী কৃষক - খবরবাড়ি24.com
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
২৬শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২২শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
তারাগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনার দৃঢ় পদক্ষেপ: জনস্বার্থ রক্ষায় আপসহীন অভিযানের প্রশংসা গাইবান্ধায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু তারুণ্যের দীপ্তিতে বদলে যাচ্ছে তারাগঞ্জ: ইউএনও মনাব্বর হোসেনের কর্মতৎপরতায় জনসেবায় নতুন দিগন্ত। পলাশবাড়ীতে জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদ্যাপন সাদুল্লাপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার গাইবান্ধায় শ্রমিকদলের নেতা রঞ্জুর ওপর হামলাকারীদের শাস্তির দাবীতে প্রতিবাদ সভা তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ দ্রুত আইন করার দাবিতে ২০ হাজার নাগরিকের আবেদন জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরব না : প্রধানমন্ত্রী তারাগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনার দৃঢ় পদক্ষেপ: জনস্বার্থ রক্ষায় আপসহীন অভিযানের প্রশংসা হাতীবান্ধায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর আত্মগোপন, র‍্যাবের জালে ধরা পড়লো প্রধান আসামি মামুন

পলাশবাড়ীতে শৈত্যপ্রবাহে হলদে বিবর্ণ বোরো বীজতলা নিয়ে মহাদুশ্চিন্তায় ভূক্তভোগী কৃষক

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৯২ বার পড়া হয়েছে

আরিফ উদ্দিনঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে শৈত্যপ্রবাহে হলদে বিবর্ণ বোরো বীজতলা নিয়ে মহা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ভূক্তভোগী কৃষক।

পলাশবাড়ী উপজেলার নিভৃত পল্লীর কৃষকরা বোরো ধান রোপণের লক্ষ্যে দিনক্ষণ ঠিক রেখে অনেক আগেই বীজতলায় বীজ বপন করেছিলেন। শুরুতে বীজতলা বেশ সবুজ ও সতেজ অবস্থা থাকলেও বর্তমানে তা হলদে হয়ে ক্রমান্বয়ে বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে। এ উপজেলায় অব্যাহত শৈত্যপ্রবাহ ও ঘণ কুয়াশার কারণে বীজতলাগুলো প্রায় বিনষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। ফলে; বোরো চারার আশানুরূপ উৎপাদন নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে এ উপজেলায় ১২ হাজার ৬৭১ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ পরিমাণ জমিতে চারা রোপণের জন্য বীজতলা তৈরীর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৭২ হেক্টর জমিতে এরমধ্যে অর্জিত হয়েছে ৭৬৬ হেক্টর।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, কৃষি ভান্ডার হিসেবে পরিচিত এ উপজেলার অধিকাংশ মানুষই কৃষি নির্ভর। বিভিন্ন ফসলের মধ্যে ধান চাষই হচ্ছে তাদের প্রধান উৎস এবং অবলম্বন। বিশেষ করে বোরো ধান উৎপাদন করেই তারা তাদের পরিবারের অধিকাংশ চাহিদা মেটানোর স্বপ্ন দেখেন। সেই স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যেই এবারও বীজতলায় বীজ বপন করেছিলেন কৃষকরা। চারা গজানোর পর সবুজ রঙ দেখে কৃষকদের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা দিলেও প্রকৃতি যেন তাতে বাধার সৃষ্টি করেছে। তীব্র শীত আর ঘণ কুয়াশায় বীজতলাগুলো এখন বিবর্ণ হলদে হয়ে মড়ক ধরতে শুরু করেছে। ফলে চরম চারা সংকটে পড়ার সমূহ আশঙ্কা করছেন তারা।

পৌরশহরের আন্দুয়া গ্রামের কৃষক আতোয়ার রহমান, গিরীধারীপুর গ্রামের ফজলু মিয়া, গাড়ানাটা গ্রামের গোফ্ফার মিয়া একই সুরে বলেন, ‘কুয়াশায় অনেক বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। চারাগুলো বাঁচাতে কৃষিবিভাগের বিভিন্ন পরামর্শ মোতাবেক কীটনাশক প্রয়োগ করেও তেমন কোনো সুফল মিলছে না।

এমন সংকটের আবর্তে কৃষি বিভাগের দায়ীত্বশীল কর্মকর্তাদেরও মাঠে তেমন দেখা যাচ্ছে না।ফলে চলতি মৌসুমে বোরো চাষ বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়েছে।’

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. সাজ্জাদ হোসেন সোহেল জানান, কুয়াশায় যাতে বীজতলা নষ্ট বা বিনষ্ট না হয়, সেজন্য পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখার পাশাপাশি পরিমিত সার, কীটনাশক ও পানি দেয়ার পরামর্শ ছাড়াও ব্লকে ব্লকে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাগণ শৈত প্রবাহে বোরো ধান চাষাবাদে করণীয় সম্বলিত একটি লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!