স্টাফ রিপোর্টার,সরকার লুৎফর রহমানঃ
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভায় নিজস্ব অর্থায়নে পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বৈদ্যুতিক খুটির সঙ্গে সড়ক বাতি স্থাপনের মাধ্যমে আলোকিত হচ্ছে জনপদ। এ কার্যক্রমের আওতায় ইতোমধ্যে বাঁশকাটা গ্রাম আলোয় ভরে উঠেছে। মোট ২৪টি মৌজা যা ৯ টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত পলাশবাড়ী পৌরসভাকে পর্যায়ক্রমে আলোকিত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে কর্তৃপক্ষ।
এ পর্যন্ত পৌর এলাকার ৬০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সড়ক বাতি স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি পৌরসভার অর্থায়নে স্থাপন করা হয়েছে ১২টি সিসি ক্যামেরা, পলাশবাড়ী থানার তত্ত্বাবধানে কার্যকর রয়েছে। ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা–রংপুর মহাসড়কের দুই পাশসহ জনসমাগমপূর্ণ এলাকাগুলোকে আলোকিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। পৌর সূত্র জানায়, প্রয়োজন অনুযায়ী আরও সিসি ক্যামেরা সংযুক্ত করা হবে।
পৌর এলাকা আলোকিত ও নজরদারির আওতায় এলে অপরাধপ্রবণতা কমবে এবং সাধারণ মানুষের চলাচলে স্বাচ্ছন্দ্য বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ২৬ জানুয়ারি রবিবার বাঁশকাটা মাদ্রাসা সংলগ্ন বৈদ্যুতিক খুটির সাথে সড়ক বাতি স্থাপন করতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা সহকারী প্রকৌশলী মর্তুজা ইলাহী খবরবাড়ি কে বলেন, পৌরসভার উত্তর দিক থেকে সড়ক বাতি স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। পুরো পৌর এলাকা আলোকিত করার লক্ষ্যে পৌরসভার নিজস্ব অর্থায়নে এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
পৌরবাসী ও সাংবাদিক ফেরদৌস মিয়া জানান, ঢাকা–রংপুর মহাসড়কের চার লেনে উন্নীতকরণ প্রায় শেষের দিকে। এ মহাসড়কের দুই পাশের অবকাঠামো কিছুটা এলোমেলো হয়ে পড়ায় সবার আগে সড়কের দু’ধার আলোকিত করা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।
সচেতন মহলের মতে, শুধু আলো ছড়ালেই সমাজ আলোকিত হয় না। মানসিকতার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন উদ্যোক্তা গড়ে তোলার মাধ্যমে সমাজকে সত্যিকার অর্থে আলোকিত করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।











