1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন
৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৩রা শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
তারাগঞ্জে কৃত্রিমভাবে রাসায়নিক সার সংকট সৃষ্টির দা‌য়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা এবারের নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে : প্রধান উপদেষ্টা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার ৫টি আসনে দলীয় প্রতীক পেলেন যারা মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০২৫ এর গেজেট প্রকাশ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৩ আসনে দলীয় প্রতীক পেলেন যারা গণভোট ২০২৬: সংস্কারের পথে জনমতের সন্ধান—বৈরচুনা থেকে যে বার্তা উঠে এল গোবিন্দগঞ্জে মসলার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ কল্পে মাঠ দিবস পলাশবাড়ী পৌরশহরের উদয়সাগর গ্রামের পরিচিত মুখ মিন্টু মিয়ার ইন্তেকাল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ফুলছড়ির থানা পরিদর্শন করলেন এডিশনাল ডিআইজি আমীরে জামায়াতের জনসভা সফল করতে গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের সমন্বয় সভা ও মাঠ পরিদর্শন

পীরগঞ্জে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অপবাদে গৃহবধুর নির্যাতন ও আত্মহত্যা,স্থানীয় নেতৃত্বের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

সাকিব আহসান,পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁওঃ

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে পরকীয়া অপবাদকে কেন্দ্র করে দিনভর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার গৃহবধু তৃপ্তি রায় (২৩)। নির্যাতন, অপমান ও সামাজিক লাঞ্ছনার বোঝা সইতে না পেরে শেষ পর্যন্ত তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন বলে অভিযোগ উঠেছে পরিবার ও স্থানীয়দের কাছ থেকে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সকালে উপজেলার ১১নং বৈরচুনা ইউনিয়নের দক্ষিণ দোপাইল এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তৃপ্তি রায়ের সঙ্গে একই গ্রামের পবিত্র চন্দ্র রায়ের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে এমন গুঞ্জনের জেরে শনিবার সকালে পবিত্র রায়ের স্ত্রী কিরণ মালা তাকে জোর করে বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে কিরণ মালা ও তার ছেলে চিরঞ্জিত রায় তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। পরে বিষয়টি বিচার করার নামে বৈরচুনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান টেলিনা সরকার হিমু ও ৪নং ওয়ার্ড সদস্য মুসলিম উদ্দীনকে ডেকে সালিশ বৈঠক বসানো হয়।

সাক্ষীদের দাবি, সালিশ বৈঠকে তৃপ্তি রায়ের ওপর আরও অপমান ও নির্যাতন নেমে আসে। চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য তাকে থাপ্পড় মারেন এবং অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। দীর্ঘ সময় ধরে এই অপমানজনক অবস্থার পর তৃপ্তিকে তার স্বামী যতিশ চন্দ্র রায়ের বাড়িতে পাঠানো হয়। কিন্তু স্বামী তাকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। অপমানিত ও একাকী অবস্থায় রাত পেরিয়ে রবিবার সকালে নওডাঙ্গা নয়াপাড়া এলাকার একটি জাম্বুরা গাছে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা।

নিহতের স্বামী যতিশ চন্দ্র রায় বলেন, “দিনভর নির্যাতন করে আমার কাছে পাঠানো হয়। বিষয়টি মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত আমি তাকে বাড়িতে তুলতে চাইনি। অপমান সহ্য করতে না পেরে হয়তো ও আত্মহত্যা করেছে।”

তৃপ্তি রায়ের পিতা শিরেন চন্দ্র রায়ের বক্তব্য আরও ক্ষোভপূর্ণ। তিনি জানান, “সালিশের নামে আমার মেয়েকে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। তার কোনো নিরাপত্তা ছিল না। পরে আর তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে জামাই জানায়, মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে থানায় এজাহার করেছি।”

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মুসলিম উদ্দীনের ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান টেলিনা সরকার হিমু বলেন, “এই বিষয়ে আমি কিছু বলবো না। তদন্তে যা বের হবে তাই সত্য।”

পীরগঞ্জ থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কিছু, সবকিছুই তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft