1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:২২ পূর্বাহ্ন
৩রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৮শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
কারাগারে অসুস্থ অবস্থায় মেডিকেলে মৃত্যু পলাশবাড়ী উপজেলা আ’লীগ সভাপতি লিপন সরকারের দাফন সম্পন্ন নির্বাচনে বিএনপি ৪৯.৯৭ শতাংশ, জামায়াত ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে : ইসি মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ-১ আসনে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবীতে বিএনপির দলীয় প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন তিন নেতার হাতে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা ট্রাম্পের বর্ণবাদী ভিডিও বিতর্কে ‘রাজনীতির শালীনতা হারাচ্ছে’ : ওবামা কারাগারে অসুস্থ হয়ে রংপুর মেডিকেলে মৃত্যু: পলাশবাড়ী মহিলা ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ সামিকুল ইসলাম লিপন আর নেই গাইবান্ধার ৫টি সংসদীয় আসনে ২ নারীসহ ২৮ প্রার্থীর জামানত হারালেন গাইবান্ধা–২ আসনে পুনর্ভোটের দাবি বিএনপি প্রার্থীর গাইবান্ধা–৪-এ ভোটে অনিয়মের অভিযোগ। পাঁচ কেন্দ্রে পুনঃভোট ও সব কেন্দ্রের পুনর্গণনার দাবি

১‌টি সেতুর অভাবে দুর্ভোগে ১৬ গ্রামের মানুষ

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৩৮ বার পড়া হয়েছে

এম.এ.শাহীন, তারাগঞ্জ,রংপুরঃ

রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার হাড়িয়ারকুঠি ও কুর্শা ইউনিয়নের মা‌ঝ দি‌য়ে ব‌য়ে চলা যমুনেশ্বরী নদীর চাকলা বা নারায়ঞ্জন ঘাটে একুটি স্থায়ী সেতুর অভা‌বে চরম দুর্ভোগে প‌ড়ে‌ছে দুই ইউ‌নিয়নের ১৬টি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

বর্ষা মৌসুমে এ এলাকার গ্রামবাসীরা ছোট নৌকা বা কলাগাছের ভেলায় করে পারাপার হয় নদী। শুষ্ক মৌসুমে নদী শুকিয়ে গেলেও হাঁটু কাদা, বালু ও পানির ভেতর হেঁটে পারাপার হ‌তে হয়। ফ‌লে প্রতি‌নিয়ত স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমিক, নারী ও বৃদ্ধ সবাইকে ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়।

প্রতিবছর বর্ষার আগে গ্রামবাসী নিজেদের উদ্যোগে চাঁদা তুলে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে নদী পারাপার হন। কিন্তু বন্যা বা পানির স্রোতে কয়েক মাস না যেতেই সেটি ভেঙে পড়ে। তখন আবারও ঝুঁকি নিয়ে কলাগাছের ভেলায় বা ছোট ডিঙি নৌকায় পারাপার হতে হয়।

কুর্শা ইউনিয়নের ঝাকুয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সাহেবুল ইসলাম বলেন, এখানে একটা সেতু না থাকায় সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয় স্কুলপড়ুয়া ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের। বর্ষায় নদী ভরাট থাকলে তারা স্কুলে যেতে পারে না। কখনো নৌকা না পেলে কলাগাছের ভেলায় করেই পার হতে হয়।

রহিমপুর চাকলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আলমগীর হোসেন বলেন, নদীর ওপারে জেলে পাড়া, জুলুবর, নারায়ঞ্জন গ্রামের আমাদের অনেক শিক্ষার্থী থাকে। বর্ষার সময় নৌকা চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়, তখন তারা বিদ্যালয়ে আসতে পারে না। এতে তাদের পড়াশোনায় ব্যাপক প্রভাব পড়ে।
সেতুর অভাবে স্থানীয় কৃষকরাও পড়ছেন বিপাকে। তাদের উৎপাদিত ধান, পাট, সবজি ও অন্যান্য ফসল বাজারে নিতে হয় এই পথ দিয়েই। সেতু না থাকায় যাতায়াতে সময় ও খরচ দুটোই বেড়ে যায়, পাশাপাশি ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও থাকে।
হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের জেলেপাড়া ঘাটের ৬০ বছর বয়সী আব্দুস সামাদ বলেন, এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন অন্তত ২০ হাজার মানুষ যাতায়াত করে। বর্ষায় নৌকা ছাড়া উপায় থাকে না, কিন্তু নৌকা সবসময় পাওয়া যায় না। আমরা বহুবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে সেতুর দাবি জানিয়েছি, কিন্তু এখনো কোনো ব্যবস্থা হয়নি।
স্থানীয়রা জানান, এই নদীর দুই পাড়ে রয়েছে স্কুল, কলেজ, হাট-বাজার, মসজিদ, মাদরাসা ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ চিকিৎসা, শিক্ষা ও কর্মজীবনের প্রয়োজনে পারাপার হয়। কিন্তু সেতু না থাকায় চরম কষ্টে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের। বিশেষ করে অসুস্থ রোগী বা গর্ভবতী নারীদের হাসপাতালে নিতে হলে পরিস্থিতি হয়ে ওঠে আরও বিপজ্জনক।
এলাকাবাসীর দাবি, যমুনেশ্বরী নদীর ওপর যদি একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হয়, তাহলে দুই ইউনিয়নের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এর ফলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ফিরে আসবে স্বস্তি ও গতি।

 

 

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!