1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন
৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৪ঠা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পীরগঞ্জে কোচিং বাণিজ্যে শিক্ষকদের লোলুপ দৃষ্টি! শিক্ষা কি এখন আর মানুষ গড়ার কারখানা নয়? পর্ব-৪ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী মূল্যায়ন উপলক্ষে গাইবান্ধায় সিপিবি’র বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর করনীয় শীর্ষক আলোচনা সভা নবনির্বাচিত এমপি’র আগমন উপলক্ষে পলাশবাড়ী উপজেলার সকল দপ্তর প্রধানগণের সাথে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা গাইবান্ধায় গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের উদ্যোগে মাসব্যাপী ইফতার ও রাতের খাবার কর্মসূচি শুরু ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড ও ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ— লালমনিরহাটে ত্রাণমন্ত্রী দুলু সাদুল্লাপুরে গণপিটুনিতে নিহত দুইজনের পরিচয় শনাক্ত সাদুল্যাপুরে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনি: নিহত ২ পীরগঞ্জে খামারের আড়ালে খাঁচায় বন্দি পাখি, শখের আড়ালে বন্যপ্রাণী আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন! রমজানে বাজার মনিটরিং-এ ফুলছড়ির উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান পলাশবাড়ীতে ‘মানবতার ঝুড়ি’: রমজানকে সামনে রেখে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

সুন্দরগঞ্জে তিস্তার পানি বৃদ্ধি হওয়ায় ভাঙন শুরু

  • আপডেট হয়েছে : শনিবার, ২৪ মে, ২০২৫
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে

খবরবড়ি ডেস্কঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে দেখা দিয়েছে তীব্র নদীভাঙ্গন।

জানা যায়, উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের পূর্ব বেলকা এলাকায় তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে তীব্র নদীভাঙ্গন শুরু হয়েছে। এতে ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে।

পূর্ব বেলকা গ্রামের মজনু, মাইদুল ও রন্জু মিয়া জানান, হঠাৎ করে গত কয়েক দিন ধরে তিস্তার পানি বৃদ্ধি হলে নদী ভাঙন শুরু হয়। ইতিমধ্যে তাদের ৩ বিঘা জমি তোষাপাটসহ নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে আরো রয়েছে শতাধিক বিঘা ফসলি জমি।

তারা আরো বলেন, বন্যা আসলে এবং বন্যাপরবর্তি ভাঙ্গন শুরুহলে তিস্তার দুই পাড়ের মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। অথচ দেখার কেউ নাই। সামন্য ত্রান বিতরণ করে দায় এড়িয়ে যান সকলে।

হরিপুর লখিয়ার পাড়া গ্রামের আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, প্রতিবছর নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি, আবাদী জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। একজন চরবাসীকে মৌসুমে কমপক্ষে ৩ বার ঘরবাড়ি সরাতে হচ্ছে। কিন্তু আজও স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধের কোন ব্যবস্থা হচ্ছে না।

বেলকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহিম খলিলুল্লা বলেন নদী খনন, ড্রেজিং, স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধ কল্পে বহুবার চাহিদা প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু আজও কোন ব্যবস্থা সরকারের পক্ষ হতে নেয়া হয়নি। শুধুমাত্র ভাঙন রোধে প্রাথমিক ভাবে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। স্থায়ী ভাবে ভাঙন ঠেকানো না হলে নদীপাড় মানুষের দুঃখ কোন দিনও দুর হবে না। ভাঙনে প্রতিবছর শতাধিক বসতবাড়ি এবং হাজারও একর ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজকুমার বিশ^াস বলেন, নদীভাঙ্গনের বিষয় আমাকে কেহই অবহিত করেনি তবে বিষয়টি গুরত্বসহকারে দেখছি।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!