1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১২ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গোবিন্দগঞ্জে স্কুল শিক্ষিকা হত্যাকান্ডের ঘটনায় দ্বিতীয় স্বামী আটক গাইবান্ধায় ট্রাক্টর চাপায় গৃহবধূ নিহত গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার আওতাধীন দু’টি রাস্তার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী তারাগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলন: মোবাইল কোর্টে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সাঘাটায় লাইসেন্সবিহীন সেমাই কারখানায় অভিযানে ২০ হাজার টাকা জরিমানা লালমনিরহাট খামারবাড়িতে উড়ছে না জাতীয় পতাকা, বিধিমালা জানেন না উপ-পরিচালক! লালমনিরহাটে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে ধর্ষন চেষ্টা, গণধোলাইয়ের শিকার বখাটে যুবক পলাশবাড়ীতে মহাসড়কের সংরক্ষিত জায়গা দখল: নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ঢাকা–হাটিকুমরুল–রংপুর ফোরলেন খামেনির মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ‘কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি’ দেওয়া হবে : বিপ্লবী গার্ডস

মাদরাসা সুপারের বিরুদ্ধে ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

 

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ

গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের লেংগা বাজার আদর্শ দাখিল মাদরাসার সুপার মো. খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অপহৃত ছাত্রীর পিতা এজাহার দাখিল করেছেন।
এজাহার ও এলাকাবাসীর অভিযোগে জানা গেছে, লেংগা বাজার আদর্শ দাখিল মাদরাসায় একই ইউনিয়নের মৌজা মালিবাড়ী (দুলারভিটা) গ্রামের এক ছাত্রী লেখাপড়া করতো। একপর্যায়ে ওই ছাত্রীর প্রতি আকৃষ্ট হয় মাদরাসার সুপার খলিলুর রহমান। এ খবর জানাজানি হলে ওই ছাত্রীর অভিভাবকরা গত তিনমাস আগে তার বিয়ে দিয়ে দেয়। এরপরও ওই ছাত্রীর স্বামীর বাড়িতে যাতায়াত শুরু করেন সুপার। পরে তার প্ররোচনায় তালাক হয়ে যায়। এরপর গত ১৭ আগস্ট সুপার তার লোকজন দিয়ে ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। কিন্তু দীর্ঘ ১৭ দিনেও তাকে খুঁজে না পেয়ে তার পিতা মো. আউয়াল মিয়া সদর থানায় একটি এজাহার দাখিল করেছেন।
এ বিষয়ে এজাহারকারী আউয়াল মিয়া মোবাইল ফোনে বলেন, তার মেয়ের সঙ্গে মাদরাসার সুপার খলিলুর রহমান প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এটা আমরা বুঝতে পেরে মেয়েকে সাদুল্যাপুরে বিয়ে দিয়ে দেই। তারপরও সুপার আমার মেয়ে জামাইয়ের বাড়িতে যাতায়াত করতো। পরে মেয়ে জামাই ও তার পরিবার ক্ষিপ্ত হয়ে আমার মেয়েকে তালাক দেয়। এ খবর জানাজানি হওয়ার পর থেকে ওই মাদরাসায় শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কমে গেছে। তিনি মাদরাসা সুপারের শাস্তি দাবি করেন।
এব্যাপারে সদর থানা অফিসার ইনচার্জ মো. মাসুদ রানা বলেন, মাদরাসা সুপারের বিরুদ্ধে এজাহার করেছেন ছাত্রীর পিতা। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!