1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৭ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
বিএনপি সংসদ সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর গাইবান্ধায় নির্মাণ শ্রমিকদের সম্মানে ইফতার ও দো’আ মাহফিল অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় এতিম ও দুঃস্থদের নিয়ে জোনার ফাউন্ডেশনের ইফতার মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া গাইবান্ধায় দুই খাদ্য উৎপাদন প্রতিষ্ঠানে রঙ ব্যবহার করায় জরিমানা ঢাকাস্থ গোবিন্দগঞ্জ সমিতির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পলাশবাড়ীতে গ্রাহকের অনিচ্ছায় আবারও প্রিপেইড মিটার স্থাপন, ‘ভুতুড়ে বিল’ ও হয়রানির অভিযোগ পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি পীরগঞ্জে বিদ্যালয়ের পাশেই ইটভাটা!শিক্ষা ও পরিবেশের উপর নীরব হুমকি গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতার সীমা নির্ধারণে গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গের প্রতি আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

ফুলছড়িতে নদীভাঙন থেকে রক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ

  • আপডেট হয়েছে : শুক্রবার, ৫ আগস্ট, ২০২২
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

 

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় নদী ভাঙন থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, বসতবাড়ি, আবাদি জমিসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষার দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার এলাকাবাসীর উদ্যোগে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী না থাকায় উপপ্রকৌশলী মুজিবুর রহমানের কাছে গণস্বাক্ষরসহ একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

উল্লিখিত দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে বক্তব্য দেন ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) জেলা সভাপতি রেবতী বর্মন, এলাকাবাসী মাহাবুব হোসেন, বাবলু মিয়া প্রমুখ। বক্তারা বলেন, ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ উড়িয়া, কাটাদ্বারা নৌঘাট, বানিয়াপাড়া, আমতলীর ঘাট, রতনপুর এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় নদীভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এলাকার ৮টি মসজিদ, ৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, গুণভরি দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয়, কবরস্থান, ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। এসব ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেলে বিশাল এলাকার জনগোষ্ঠী ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতে হবে। তাই বক্তারা দ্রুত নদী ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট সবার হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ ব্যাপারে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হবে। আপাতত স্থায়ী ব্যবস্থা না হলেও অস্থায়ীভাবে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি জানান।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!