
গাইবান্ধা জেলা পরিসংখ্যান অধিদপ্তরের উদ্যোগে ‘জনশুমারির আয়োজন, সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন’ বাস্তবায়নে ১৫ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত জনশুমারি ও গৃহ গণনা উপলক্ষে ইউসিসি, জোনাল অফিসার ও আইটি সুপারভাইজারদের চারদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়।
সোমবার (৩০ মে) গাইবান্ধা সরকারি কলেজ মিলনায়তনে প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. খলিলুর রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিসংখ্যান অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. এনামুল হক, সরকারি কলেজের ইংরেজী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক মো. আব্দুর রশিদ, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ১৯৭৪ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদম শুমারি করা হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেইসময় যথাযথ উন্নয়নের জন্য নির্ভূল পরিসংখ্যান করেন। এতে করে ‘একটি দেশ বা সীমানা অংকিত অঞ্চলের সকল ব্যক্তির জন্য নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কিত সামাজিক ও অর্থনৈতিক তথ্য সংগ্রহ, সংকলন এবং প্রকাশের সার্বিক প্রক্রিয়া’ সম্পন্ন হয়। তারা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের নেতৃত্বে ডিজিটাল জন শুমারির মাধ্যমে জনসংখ্যা নিরুপণ, গৃহ পরিসংখ্যান, আর্থ-সামাজিক, জনমিতিক বৈশিষ্ট্য নিরুপণ, নির্বাচনী এলাকার সীমানা ও চাকরির কোটার হিসাব এবং উন্নয়ন পরিকল্পনার জন্য তথ্য-উপাত্ত বিষয়ে বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপজেলা শুমারি সমন্বয়কারি, জোনাল অফিসার, আইটি সুপারভাইজারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা অংশ গ্রহণ করেন।