
কুড়িগ্রামে প্রেম সংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু-গ্রুপের সংঘর্ষে বকুল মিয়া (৩৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত বকুল গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন উত্তর নওয়াবশ গ্রামের মৃত মুক্তিযোদ্ধা আবদুর সাত্তারের ছেলে। তিনি তিন কন্যা সন্তানের জনক বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই বাদী হয়ে কুড়িগ্রাম সদর থানায় মামলা দিলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে আটক করে।জানা গেছে, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের ধরলা আবাসন প্রকল্পের গুচ্ছগ্রামে বসবাসকারী দুই পরিবারের ছেলে-মেয়ের প্রেম সংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) রাত ৯টার দিকে ওই ইউনিয়নের ধরলা আবাসন প্রকল্প এলাকায় দুই পরিবারে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এসময় স্থানীয় বকুল মিয়া সেই সংঘর্ষ নিরসন করতে গেলে এক পক্ষের ছুরিকাঘাতে বকুল গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নেয়ার পথে সে মারা যায়।
আটককৃতরা হলেন, কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছি ইউনিয়নের নওয়াবস আবাসন প্রকল্প গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দা মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে মোরশেদুল হক (৪২), মোরশেদুল হকের ছেলে জাহিদ হাসান (২০), মোরশেদুল হকের স্ত্রী আফরোজা বেগম (৩৭)। এছাড়াও জেলা সদরের সওদাগর পাড়া গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে রওশন ইসলাম (২৫), আকিরুজ্জামানের ছেলে রাশিদুল ইসলাম (৪৪), মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে মনিরুল ইসলাম ওরফে ময়নুল (২৬), আকিরুজ্জামানের ছেলে রানা ইসলাম (২৬), মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে হানিফ আহমেদ (৫৩), মৃত মোজাম্মেল হকের স্ত্রী মদিনা বেগম (৬৫) ও হানিফ মিয়ার স্ত্রী রোজী বেগম (৪২)। কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) খান মো.শাহরিয়ার জানান, বৃহস্পতিবার রাত জুড়ে অভিযান চালিয়ে মুল হত্যাকারীসহ ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহে ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।