
কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জেলা সভাপতি মিহির ঘোষসহ নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি ও বাসদ (মার্কসবাদী) নেতা গোলাম সাদেক লেবুসহ সকলের নামে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে গাইবান্ধায় বাম গণতান্ত্রিক জোটের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।গতকাল রোববার সকালে শহরের ডিবি রোডে গাইবান্ধা নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংস্থার (গানাসাস) সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে গাইবান্ধার বাম জোটের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মামলাকে ‘হয়রানিমূলক’ উল্লেখ করে অবিলম্বে এসব মামলা প্রত্যাহার ও হামলা-নির্যাতন বন্ধের দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।
বাম গণতান্ত্রিক জোটের জেলা সমন্বয়ক জেলা সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুলের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পর্ষদের অন্যতম নেতা আব্দুল্যাহ ক্বাফী রতন, জেলা বাসদ (মার্কসবাদী) আহবায়ক আহসানুল হাবীব সাঈদ, ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি রেবতী বর্মন, বাসদের জেলা আহবায়ক গোলাম রব্বানী প্রমুখ।সমাবেশে বক্তারা বলেন, দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে গাইবান্ধা সদরের গিদারীতে সিপিবির প্রার্থীকে ভোট ডাকাতির মাধ্যমে ‘পরাজিত’ করে সরকারদলীয় প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। শুধু তাই নয়, সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য মিহির ঘোষ, চেয়ারম্যান প্রার্থী কৃষক নেতা সাদেকুল ইসলাম মাস্টারসহ আটজন এবং বাসদ (মার্কসবাদী) জেলা নেতা গোলাম সাদেক লেবুসহ নেতাকর্মীর নামে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে জুলুম-নির্যাতন চালাচ্ছেন। অবিলম্বে এসব মামলা প্রত্যাহার ও হামলা-নির্যাতন বন্ধের দাবি জানান তাঁরা।সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ১নং রেল গেইটে এসে শেষ হয়। এ সময় বাম জোটের নেতাকর্মীরা হাতে দাবি-দাওয়া সংবলিত ব্যানার-ফেস্টুন ও লাল পতাকা বহন করে এবং মামলা প্রত্যাহার ও নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে।
একই সময়ে গোবিন্দগঞ্জেও নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে।উপজেলা সিপিবি’র সভাপতি অশোক আগরওয়ালার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা কমিটির সদস্য তাজুল ইসলাম, উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আল মামুন মোবারক, ওয়াহেদুজ্জামান মিলন প্রমুখ।