
গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে জামালপুর বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত ফেরি চলাচলে অনিশ্চয়তার প্রতিবাদে এবং ঢোলভাংঙ্গা-সাঁকোয়া ব্রীজ এলাকায় ইপিজেড বাস্তবায়নের দাবীতে ফুলছড়ির কালীর বাজার এবং সাঁকেয়া ব্রীজ ইপিজেড বাস্তবায়ন মঞ্চের আয়োজনে গণসমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে অ্যাড. বিপুল কুমার সরকারের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা বারের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু, গাইবান্ধা সামাজিক সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর কবির তনু, গাইবান্ধা মানবাধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহিদা আক্তার, অ্যাড. মোহাম্মদ আলী প্রামাণিক ও অ্যাড. ফারুক কবির ও খিলন রবিদাশ প্রমুখ।
গাইবান্ধার বালাসীঘাট থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত ফেরি সার্ভিস চালুর জন্য ১শ’ ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে গাইবান্ধার বালাসীতে টার্মিনাল ও অবকাঠামো নির্মাণ করার পর বিআইডব্লিউটিএ বলেছে নাব্যতা সংকটে এ পথে ফেরি চলাচল সম্ভব নয়। তাই এই প্রকল্পটি রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় ও লুটপাট ছাড়া আর কিছু নয়। এতগুলো টাকার একটি প্রকল্প কোনো প্রকার যাচাই বাছাই সম্ভাব্যতা পরীক্ষা ছাড়াই খরচ করা হলো, এটা গাইবান্ধাবাসীর সঙ্গে তামাশা ছাড়া আর কিছুই না। এ ঘটনার মধ্যদিয়ে গাইবান্ধাবাসীর সঙ্গে বড় ধরনের প্রতারণা করা হয়েছে। অবিলম্বে ফেরিঘার চালু এবং বালাসী-বাহাদুরাবাদ ব্রহ্মপুত্র সেতু বা টানেল বাস্তবায়নের দাবী করেন বক্তারা।সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন গাইবান্ধা জেলার ভূতপূর্ব ডিসি ড. কাজী আনোয়ারুল হক সাহেবের প্রস্তাবিত গাইবান্ধার সাঁকোয়া ব্রিজ এলাকায় ইপিজেড বাস্তবায়নের জন্য সরকারের নিকট জোর দাবী ছাড়াও গাইবান্ধায় বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ, গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন, গাইবান্ধার মতৃসদনে ডাক্তার ও নার্স নিয়োগ, শহরের ফোরনেলের কাজে নি¤œমানের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির মাধ্যমে দূর্ণীতি-অনিয়ম প্রতিরোধসহ গাইবান্ধাবাসীর উন্ময়নে ১০ দফা দাবী তুলে ধরেন।