
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার মানসিক ভারসাম্যহীন তৌহিদুল মিয়াকে (২৫) উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের উদ্যোগে জেলা পুলিশ এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। মানসিক ভারসাম্যহীন তৌহিদুল মিয়া উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের বড় জামালপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।
এ উপলক্ষে জেলা পুলিশের আয়োজনে সাদুল্লাপুর থানা চত্বরে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, গাইবান্ধা ট্রাফিক পুলিশের (প্রশাসন) পরিদর্শক নূর আলম সিদ্দিক ও সাদুল্লাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ প্রদীপ কুমার রায় প্রমূখ। এসময় উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি প্রভাষক আব্দুল জলিল, উপজেলা পুঁজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি প্রভাত চন্দ্র অধিকারী, সাধারণ সম্পাদক কুষ ধ্বজ প্রামানিক, প্রেস ক্লাবের সভাপতি শাহজাহান সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান পলাশ উপস্থিত ছিলেন।
গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, তৌহিদুল মিয়া গত ৫ বছর থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় শহরে ঘোরাফেরা করতো। তার দরিদ্র পিতা রফিকুল ইসলাম অর্থাভাবে তৌহিদের চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না। বিষয়টি আমি জানতে পেরে তার চিকিৎসার এই সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহন করি। তিনি আরো বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই তাঁকে এ সহযোগিতা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত; এরআগেও বিগত ২০২০ সালে ১৪ জুন সেলিম মিয়া নামে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে পাবনায় মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন গাইবান্ধা জেলা পুলিশ। সেখানে ৪ মাস চিকিৎসার পর তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন। কিন্তু স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার পর সেলিম কর্মহীন হয়ে পড়েন। পরে জেলা পুলিশ তাঁকে মালামালসহ একটি গালামাল দোকানঘর ও নগদ টাকা প্রদান করে।