1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৪১ অপরাহ্ন
৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৩রা শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
তারাগঞ্জে কৃত্রিমভাবে রাসায়নিক সার সংকট সৃষ্টির দা‌য়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা এবারের নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে : প্রধান উপদেষ্টা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার ৫টি আসনে দলীয় প্রতীক পেলেন যারা মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০২৫ এর গেজেট প্রকাশ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৩ আসনে দলীয় প্রতীক পেলেন যারা গণভোট ২০২৬: সংস্কারের পথে জনমতের সন্ধান—বৈরচুনা থেকে যে বার্তা উঠে এল গোবিন্দগঞ্জে মসলার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ কল্পে মাঠ দিবস পলাশবাড়ী পৌরশহরের উদয়সাগর গ্রামের পরিচিত মুখ মিন্টু মিয়ার ইন্তেকাল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ফুলছড়ির থানা পরিদর্শন করলেন এডিশনাল ডিআইজি আমীরে জামায়াতের জনসভা সফল করতে গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের সমন্বয় সভা ও মাঠ পরিদর্শন

পলাশবাড়ীর দিগদাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমির উৎপাদিত ফসলাদি আত্মসাতের অভিযোগ

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের দিগদাড়ী ২নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমিতে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ফসলাদি উৎপাদন করে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। উক্ত বিদ্যালয়ের জমির উৎপাদিত ফসলাদি তৎকালীন প্রধান শিক্ষক ও তাঁর স্বামী আত্মসাৎ করেছেন বলে জানা যায়।
সরেজমিনে বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয়ে গিয়ে স্থানীয় সূত্র জানান, ১৯৯৫ সালে ৩৩ শতাংশ আবাদি উপর বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই জমির উপর দক্ষিণপার্শ্বে দক্ষিণ দুয়ারী করে শুধুমাত্র বিদ্যালয়টি ভবনটি নিওর্মাণ করা হয়। বিদ্যালয়ের উত্তরপার্শ্বের বাকী জমি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে চাষাবাদ করে আসছিলেন বিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রধান শিক্ষক শিরিনা আকতার এবং তার স্বামী দিগদারী ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আতোয়ার রহমান। ওই জমির উৎপাদিত ফসলাদির অর্থ বিদ্যালয়ের কোন কাজে ব্যবহার না করে তারাই আত্মসাৎ করেন। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ হলেও পূর্বে ন্যায় জমির সকল ফসলাদি তারাই ভোগ করেন থাকেন। এছাড়াও বিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রধান শিক্ষক শিরিনা আকতারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় তাঁকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়। পরে তিনি বাহিরডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আবুল কামেশের সাথে সমঝোতা করে বদলি নেয়।
এ বিষয়ে বর্তমান প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, আমি ২০২০ সালে এ বিদ্যালয়ে যোগদান করি। যোগদান করার পর তৎকালীন প্রধান শিক্ষক উক্ত জমির কোন উৎপাদিত ফসল বা অর্থ বিদ্যালয়ে দিয়ে যাননি। পরে বিদ্যালয়ের বারান্দা দক্ষিণ দুয়ারী হতে মূল জমি উত্তর দুয়ারী করে নির্মাণ করি।
ওই বিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রধান শিক্ষক শিরিনা আকতারের সাথে একাধিকবার মোবাইলে যোগাযোগ করে না পেয়ে তাঁর বর্তমান কর্মস্থল বাহিরডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুপুর ১২টায় গিয়ে দেখা যায় বিদ্যালয়টি তালাবদ্ধ।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আসাদুজ্জামান দোলন জানান, দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ের জমিটি বেদখলে ছিল। পরে বিষয়টি আমি মৌখিক ভাবে জানতে পেরে দাতার সাথে আলোচনা সাপেক্ষে উদ্ধার করি। তবে বিদ্যালয়ের জমিতে প্রায় ২০ বছর যাবৎ উৎপাদিত ফসলের কোন হিসাব পায়নি। বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত পূর্বক উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকবাসী।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft