1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:২১ পূর্বাহ্ন
৯ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৪ঠা শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শীতবস্ত্র নিয়ে রোগীদের পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক চিকিৎসা সহযোগিতা সম্প্রসারণ করল যুক্তরাষ্ট্র সুন্দরগঞ্জে ব্যবসায়ীর টাকা হত্যা চেষ্টা ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন গাইবান্ধায় ইকোসাইকেল প্রকল্প পরিচিতি ও সচেতনতা সভা ভোটারদের যাতায়াত ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ১১ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি অনুমোদন গাইবান্ধা-৫ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ও দলের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী গণসংযোগ পলাশবাড়ীতে জমির ৯ লাখ টাকা ফেরত পেতে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন তারাগঞ্জে রংপুর-২ আসনের জামায়াতের উদ্যোগে বিশাল নির্বাচনী মিছিল সাদুল্লাপুরে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রচারণামূলক পথনাটক নিয়ে গাইবান্ধায় ভোটের মাঠে সুজন

গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদ-নদীর পানি বিপদসীমার উপরে

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে ব্রহ্মপুত্রসহ জেলার সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা গেছে, বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় গাইবান্ধার ফুলছড়ি পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ১৩ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৩৯ সেন্টিমিটার এবং ঘাঘট নদীর পানি ১০ সে.মি বেড়ে বিপদ সীমার ৬ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে করে জেলার চার উপজেলার ২৯টি ইউনিয়নের ১২০টি গ্রাম ও চরের অন্ততপক্ষে ২৫ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে হয়ে পড়েছে।
পানি বৃদ্ধির ফলে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী উড়িয়া, গজারিয়া, ফুলছড়ি, এরেন্ডাবাড়ী ও ফজলুপুর ইউনিয়নে আমন ১৫ হাজার পরিবার পানি বন্দী হয়েছে। এই উপজেলার বীজতলা, রোপা আমন, পাট, মরিচ, বেগুন, পটলসহ নি¤œাঞ্চলের বিভিন্ন ফসল তলিয়ে গেছে। এদিকে ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের গুনভরি হতে রতনপুর এবং মশামারী হতে ভুষিরভিটা যাওয়ার রাস্তাসহ বেশ কয়েকটি রাস্তা তলিয়ে যাওয়ায় ওই এলাকার লোকজনের দুর্ভোগ বেড়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ফুলছড়ির রতনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠটি হাঁটু পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া, ঘুড়িদহ ও সাঘাটা ইউনিয়নের ৫ হাজার পরিবারের বসতবাড়িতে পানি উঠেছে।
এদিকে, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর, বেলকা কাপাসিয়া, চন্ডিপুর, তারাপুর ও শ্রীপুর ইউনিয়নের ৩০টি গ্রামের ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়েছে। এই উপজেলার চন্ডিপুর, কছিমবাজারে তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে।
গাইবান্ধার সদর উপজেলার কামারজানি, মোল্লারচর, গিদারী ইউনিয়নের ৪ হাজার পরিবারের পানিবন্দী হয়েছে। এই উপজেলার মানুষজন গো-খাদ্য সংকটে পড়েছে। এব্যাপারে কামারজানি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম জাকির জানান, পানি বৃদ্ধির কারণে নদীর ¯্রােত বেড়ে যাওয়ায় কামারজানি ইউনিয়নের ৫টি ওয়ার্ডে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ৮০টি পরিবার তাদের বসতভিটা হারিয়েছেন। গাইবান্ধার জেলার চরাঞ্চলে কাশবন তলিয়ে যাওযায় গবাদি পশুর খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে আমনসহ বিভিন্ন ধরনের সবজিও বেশ কয়েকদিন ধরে বনার পানিতে ডুবে থাকায় পচন ধরেছে। জেলায় বন্যার স্থায়ীত্ব বাড়ায় জনগণের দুর্ভোগও সৃষ্টি হচ্ছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft