
করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে চলমান ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছে সরকার।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়েরও সায় আছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে ১৯ এপ্রিলের সভায়।
চলমান বিধিনিষেধের মধ্যে করোনা সংক্রমণ কমে এসেছে। তবে পরপর দুদিন করোনা সংক্রমিত হয়ে ১০১ জন করে মারা গেছেন যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।
করোনা নিয়ন্ত্রণে সরকার গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটিও সিটি করপোরেশন ও পৌর এলাকায় টানা দুই সপ্তাহের লকডাউন দেওয়ার সুপারিশ করেছে।
তারা মনে করে, বর্তমান বিধিনিষেধের সুফল পাওয়া যাচ্ছে। তবে এ জন্য ১৪ দিনের লকডাউনের প্রয়োজন, সংক্রমণ প্রতিরোধে যা বিজ্ঞানসম্মত সময়সীমা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এমন পরিস্থিতিতে সরকার চলমান বিধিনিষেধ আরও সাত দিন বাড়িয়ে এরপর আবার শর্তসাপেক্ষে বিভিন্ন বিধিনিষেধ দিয়ে চলার বিষয়টি চিন্তা-ভাবনা করছে।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, বিধিনিষেধ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। ১৯ বা ২০ এপ্রিল এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে।
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ ব্যাপকহারে ছড়িয়ে পড়লে সরকার প্রথমে ৫ এপ্রিল থেকে সাত দিনের জন্য গণপরিবহন চলাচলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ জারি করে। পরে তা আরও দুদিন বাড়ানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আরও কঠোর বিধিনিষেধ ঘোষণা করা হয়।