গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুস ছালাম এর বিরুদ্ধে শিক্ষা বিভাগের বেশ কয়েকটি খাত থেকে ৩০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ এনে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন পলাশবাড়ী প্রেসক্লাব সহ-সভাপতি ফেরদাউছ মিয়া। এদিকে অভিযোগের পর বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন পত্রিকায় ফলাও করে ওই শিক্ষা কর্মকর্তার দুর্নীতি-অনিয়মের ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে লিখিত অভিযোগ ও প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করে শিক্ষা অধিদপ্তর। এদিকে শিক্ষা অফিসার আব্দুস ছালাম অভিযোগ দাখিলের পর অবস্থা বেগতিক দেখে অবশেষে ৯ লক্ষ ৩০ হাজার ২শ ৫০ টাকা ট্রেজারী মুলে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করেন।
শিক্ষা অধিদপ্তরের গঠিত তদন্ত কমিটির নিকট লিখিত বক্তব্যে শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস ছালাম উল্লেখ করেছেন বিভিন্ন ভাবে তিনি উত্তোলনকৃত ৯ লক্ষ ৩০ হাজার ২শ ৫০ টাকা ইতোমধ্যেই সরকারি কোষাগারে ফেরৎ প্রদান করেছেন।
অভিযোগকারী পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ফেরদাউছ মিয়া বলেন, আত্মসাৎকৃত ৩০ লক্ষ টাকার মধ্যে ইতোমধ্যে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করেছেন শিক্ষা অফিসার আব্দুল ছালাম সাহেব। এতেই প্রতীয়মান হয় যে ওই কর্মকর্তা দুর্নীতিবাজ। তিনি ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা ও শাস্তি মূলক বদলীর দাবি জানান।
নির্ভরযোগ্য একটি সুত্রে জানা যায়, পলাশবাড়ী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুস ছালামের বিরুদ্ধে রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে আরও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুজ্জামান নয়ন জানান, ইতোমধ্যেই রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে উল্লেখিত ঘটনায় তাকে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তিনি শীঘ্রই তদন্ত কাজ শুরু করবেন।