1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১০ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পীরগঞ্জে কোচিং সিন্ডিকেটের থাবা,শিক্ষার্থীরা কোচিংগুলো কাছে জিম্মি, শিক্ষা কি এখন আর মানুষ গড়ার কারখানা নয়? (পর্ব- ৩) পলাশবাড়ীতে আইএফআইসি ব্যাংকের মতবিনিময় সভা ১০০ কোটি টাকার আমানত মাইলফলকে আস্থার স্বীকৃতি পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী অনুষ্ঠান গোবিন্দগঞ্জে ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ভালো কাজের পরিণাম যখন বদলির আদেশ! গাইবান্ধা জেলা পুলিশ লাইন্স স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গোবিন্দগঞ্জে মহাসড়কে যাত্রবাহী বাস উল্টে আহত ১৫ পলাশবাড়ীর ঢোলভাঙ্গায় নির্বাচনী পথসভায়-ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক গাইবান্ধার বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন পরিদর্শন করেন জিআইবিআর ময়নুল ইসলাম গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারী গ্রেফতার

সাজিদের উড়ানো নিশান, প্রানে বাঁচল রেলযাত্রীরা

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড় থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেনটি নিশান উড়িয়ে থামিয়ে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলো কিশোর সাজিদ হোসেন। মা সাহিদা বেগমের পরামর্শে সাজিদ হোসেন লাল নিশান উড়িয়ে রোববার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার দিকে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার খাসবাগুরী এলাকায় ট্রেনটি থামায়।

একই গ্রামের রেজাউল করিম, সাজিদের সহপাঠী সজিব, মোজাম্মেল হকসহ কয়েকজন বলেন, সাজিদের মা সাহিদা বেগম বাড়ির পাশের রেললাইন পার হচ্ছিলেন। তখন তিনি রেললাইনে ফাটল দেখতে পান। পরে তিনি ছেলে সাজিদকে লাঠিতে লাল কাপড় উড়িয়ে আগত ট্রেনটি থামাতে বলেন। সাজিদ লাল গেঞ্জি উড়িয়ে ঢাকাগামী আন্তঃনগর দ্রুতযান ট্রেন থামায়। এতে বড় দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায় ট্রেনটি।

সাজিদ হোসেন বলেন, ‘মার নির্দেশে লাল গেঞ্জি লাঠিতে বেঁধে রেললাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। যখন ট্রেনটি ধীরে ধীরে থেমে গেলো, তখন ভয় পেয়েছিলাম। পরে ট্রেনের যাত্রী, চালক ও এলাকার মানুষ এসে বাহবা দিলেন। তখন অনেক ভালো লেগেছে। সবচেয়ে বড় কথা, শত শত যাত্রীসহ ট্রেনটি দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে পেরে নিজের কাছে ভালো লেগেছে।’

রেললাইন মেরামতে নিয়োজিত কর্মচারী রায়হান হোসেন জানান, ‘ট্রেন থামানোর পর অফিসের নির্দেশে ঘটনাস্থলে এসে ফাটল জোড়া লাগানো হয়েছে। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।’

জয়পুরহাট রেলস্টেশন মাস্টার হাবিবুর রহমান বলেন, সাজিদ এবং তার মা এর কারনে ট্রেনটি মারাত্মক দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে। রেল বিভাগের পক্ষ থেকে সাজিদ ও তার মাকে ধন্যবাদ জানিয়েছি।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft