সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন
৯ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গোবিন্দগঞ্জে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র গাইবান্ধায় সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে গাইবান্ধার সদর উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে প্রাণখোলা ঈদ আড্ডা ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে সাদুল্লাপুর উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান সাংবাদিকতা পেশা কতিপয় ব্যক্তির কারণে বিতর্কিত: তথ্যমন্ত্রী পলাশবাড়ীর ৩ ফিলিং স্টেশনে রেজিস্টার পরিদর্শন, পরিমাপ যাচাই না করায় প্রশ্ন লালমনিরহাট জেলা শহরে বাস-অটো সংঘর্ষে আহত ৮ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবের আমেজে পলাশবাড়ীতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন দল-মত নির্বিশেষে সকলে মিলে দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

রোহিঙ্গা সংকটে নজর রাখতে চান সুইডিশ ও ডাচ রাষ্ট্রদূত

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমি রাখাইন রাজ্যে প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত এ সংকটের ওপর নজর রাখার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত অ্যালেজান্ড্রা বের্গ ফন লিনডে এবং ডাচ রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভারওয়েজ।

তারা ৫ থেকে ৮ ডিসেম্বর কক্সবাজার সফর এবং রোহিঙ্গাদের মানবিক আশ্রয় দেয়ায় সুইডেন এবং নেদারল্যান্ডের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের আন্তরিক প্রশংসা করেন।

তারা এক যৌথ সংবাদ বিবৃতিতে বলেন যে রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় সম্প্রদায় উভয়ের সুরক্ষা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা অব্যাহত রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

রাষ্ট্রদূতরা বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সবচেয়ে প্রয়োজনের সময় বাংলাদেশ উদারভাবে তাদের গ্রহণ করেছে।

সফরকালে উভয় রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে শরণার্থীদের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন মানবিক সহায়তাকারী সংস্থার সাথে মতবিনিময় করেন।

রোহিঙ্গারা তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে মিয়ানমারে নিরাপদ, টেকসই, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের আশায় রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত ভারওয়েজ বলেন, ‘আমরা মিয়ানমারে সংঘটিত নৃশংসতার জন্য জবাবদিহি এবং রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখার দিকে মনোনিবেশ করব। স্বল্প মেয়াদে প্রত্যাবাসন অর্জিত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই, এ কারণেই মধ্য মেয়াদি সমাধানে বিকল্পগুলোর বিষয়ে মতামত বিনিময় করা জরুরি।’

রাষ্ট্রদূতরা শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) শাহ রেজওয়ান হায়াতের সাথে বৈঠক করেন।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূতরা কক্সবাজারের শরণার্থী এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের জীবিকা নির্বাহ, পরিষেবা গ্রহণ এবং মানবিক সহায়তার মতো চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।

এছাড়াও রাষ্ট্রদূতরা উদ্বাস্তুদের বসবাসের জায়গা হিসেবে ভাসানচরের সুরক্ষা, সম্ভাব্যতা এবং স্থানীয়ত্ব বিষয়ে জাতিসংঘের মূল্যায়নের জরুরি প্রয়োজনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনের সাথে বৈঠকে রাষ্ট্রদূতরা জেলার টেকসই উন্নয়নে সুইডেন এবং নেদারল্যান্ডের সহযোগিতার কথা জানান।

সফরকালে রাষ্ট্রদূতরা জেলার নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নয়নে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় উভয় সম্প্রদায়ের সামাজিক সংহতি এবং জীবিকার সুযোগগুলো গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রদূতরা নারী ও শিশুদের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রদূত লিনডি বলেন, ‘লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য, বিশেষ করে শিবিরগুলোতে নারী, শিশু এবং সবচেয়ে দুর্বল শরণার্থীদের নিরাপদ বোধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। মানসিক স্বাস্থ্য এবং মনস্তাত্ত্বিক সমর্থন সম্পর্কে সংবেদনশীল হওয়া অবশ্যই টেকসই প্রতিক্রিয়ার অংশ হতে হবে।’

নেদারল্যান্ড এবং সুইডেন বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি উভয় সম্প্রদায়ের মানবিক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ অংশীদার হিসেবে রয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft