
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যকার ভার্চুয়াল বৈঠক শুরু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সাড়ে ১১টার দিকে বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠকে দুই শীর্ষ নেতা কোভিড পরবর্তী সহযোগিতা আরো জোরদার করাসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছেন।
দুই দেশের মধ্যে দেড় ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠকে নয়টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে সকালেই বাণিজ্য, কৃষি, জ্বালানি ও পরিবেশসহ সাত খাতে সহযোগিতার ক্ষেত্রে সাতটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়েছে।
জানা যায়, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে সীমান্ত যেন শান্তিপূর্ণ থাকে, একইসাথে ভারতের ক্রেডিট লাইনের আওতায় দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আলোচনা প্রাধান্য পাবে। এছাড়া, তিস্তা ও অভিন্ন নদীর পানি সমস্যা এবং সীমান্ত সঙ্ঘাত নিয়েও আলোচনা হবে। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য আরো কীভাবে বাড়ানো যেতে পারে, সে বিষয়েও আলোচনা হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে বেশ কিছু প্রকল্প উদ্বোধন করা হবে বলে আমরা আশা করছি। সে সময় চিলাহাটি-হলদিয়া রুটে ট্রেনলাইন উদ্বোধন করা হবে। এই রুটটি ৫৫ বছর আগে চালু ছিল। সেটা এখন নতুন করে আবার চালু করা হবে।
ভারত ও বাংলাদেশ সর্বোচ্চ স্তরে নিয়মিত আলোচনা ও মতবিনিময় অব্যাহত রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের অক্টোবরে ভারতে সফরে এসেছিলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০২০ সালের মার্চ মাসে মুজিব বর্ষের ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছিলেন। করোনা মহামারির মধ্যেও উভয় নেতা নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।
আগামী ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ঢাকায় আসার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির উন্নয়ন হলে তিনি ঢাকায় আসবেন।