
বরিশাল নদীবন্দরে ঢাকা-বরিশাল রুটের যাত্রীবাহী ‘সুন্দরবন ১১’ লঞ্চের ছাদে নিহত যুবকের পরিচয় মিলেছে। তার নাম শামীম হাওলাদার (২৪)।
মঙ্গলবার সকালে লঞ্চটি বরিশালে পৌঁছলে এর তিন তলার ছাদে ধোঁয়া নির্গমনের চিমনির আড়াল থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শামীম হাওলাদার ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুশঙ্গল ইউনিয়নের কুপিলা গ্রামের বাসিন্দা খালেক হাওলাদারের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকার আবির ফ্যাশন নামে একটি গার্মেন্টের শ্রমিক ছিলেন।
বরিশাল নৌসদর থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, ওই যুবকের পেটে ও বুকে ধারালো ছুড়ি দিয়ে কোপানো হয়েছে। এতে তার পেট থেকে ভুঁড়ি বেরিয়ে গেছে। কে বা কারা হত্যা করেছে তার ক্লু উদঘাটন হয়নি।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল সিআইডির ইন্সপেক্টর নুরুল ইসলাম তালুকদার।
তিনি জানান, বিলাসবহুল লঞ্চ ‘এমভি সুন্দরবন ১১’ লঞ্চটি ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা থেকে বরিশালে পৌঁছায়। ঘাটে ভেড়ার পর যাত্রী নামিয়ে দিয়ে ভোর ৬টার দিকে লঞ্চ ধোয়া-মোছার কাজ শুরু করেন স্টাফরা। এ সময় তারা ছাদে এক যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে।
তারা সুপারভাইজার ও সিকিউরিটিকে খবর দেন। পরে নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।
তবে ওই শ্রমিক ঢাকা থেকে বরিশালে কী কারণে এসেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তার পরিবারকে খবর দেয়া হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।