1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন
১৭ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১২ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের আহ্বান তারেক রহমানের এনসিপি’র ৩৬ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা গণভোটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’র পক্ষে অবস্থান নিতে পারবেন না : নির্বাচন কমিশনার জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের ভাইস-চেয়ার নির্বাচিত বাংলাদেশ রংপুরে সমাবেশে যাবার পথে তারেক রহমানের পলাশবাড়ীতে সংক্ষিপ্ত যাত্রা বিরতি ফুলছড়িতে অস্ত্রসহ বিএনপি নেতা গ্রেফতার পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক জিয়া পলাশবাড়ীতে গ্রীন ফিল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ নারী শিক্ষার্থী উত্ত্যক্তের অভিযোগ ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার প্রতিবাদে পলাশবাড়ীতে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন মেক্সিকোতে ফুটবল খেলায় সশস্ত্র হামলা: নিহত ১১, গ্রেফতার ৩

দু‘পা ও এক হাত নেই, তারপরেও স্বাবলম্বী শাহিদা

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০
  • ২৯ বার পড়া হয়েছে

একটি হাত ও দুটি পা নেই শাহিদার। ৬ ভাই-বোনের মাঝে একমাত্র শাহিদাই ছিল প্রতিবন্ধী। মাত্র একটি হাত সচল হলেও তিনটি আঙ্গল ছাড়া বাকিগুলো অকেজো। তবুও থেমে নেই এই শাহিদা। তার অদম্য ইচ্ছা আর পরিবারের সহযোগিতায় সফলতার সাথে যশোরের এমএম কলেজ থেকে শেষ করেন মাষ্টার্স। শাহিদার স্বপ্ন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে একজন প্রতিবন্ধীর কষ্ট ও সংগ্রামের গল্প তাঁকে শোনাবেন।’

এই শাহিদা ছোট বেলা যখন স্কুলে ভর্তি হয়েছে তখন ক্লাসের স্যারেরা তাক নিয়ে খুব ভয়ে ছিলেন যে, কিভাব ক্লাস করবেন তিনি। শোরের ঝিকরগাছা উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের মুদি দোকানি মো. রফিউদ্দিনের ছয় সন্তানের মধ্যে ৪র্থ শাহিদা।

১৯৯১ সালে শাহিদার জন্ম হলে গোটা পরিবারে যেন আঁধার নেমে আসে। কারণ মেয়েটির একটি হাত ও দুটি পা নেই। সেই সময়ের কথা বলতে গিয়ে অশ্রম্নসিক্ত হয়ে পড়েন শাহিদার মা জোহরা বেগম।

কখনো মা-বাবা, কখনো ভাইবোনের কোলে চড়ে স্কুলে যাতায়াত শুরু হয় শাহিদার। রোদ, বৃষ্টি, ঝড় কোনো কিছুই তাকে স্কুল থেকে দূরে রাখতে পারেনি। পড়াশোনার প্রতি আন্তরিক ও অদম্য আগ্রহের কারণে শিক্ষকরাও পরে তার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে ওঠেন।

এভাবেই সেন্টলুইস হাইস্কুল থেকে ২০০৭ সালে এসএসসি ও ২০০৯ এ শিমুলিয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন।

মা বললেন ‘পাড়া-প্রতিবেশীরা বলত, পাপ করেছি, তারই ফল পেয়েছি। ঘিন্নায় মানুষ কথা বলত না।’ শাহিদাকে বলতা, ‘তুই কি করতি হইছিস্‌? তোরে দিয়ে তো কিছ্‌ছু হবে না। আমাগের হলি তো মাইরে ফেলতাম!’ এই ছিল শাহিদার শৈশব!

শাহিদা জানান, এরপর বাড়ি থেকে ৮ কিলোমিটার দূরের শহিদ মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজে ডিগ্রিতে ভর্তি হন। প্রতিদিন একশ টাকায় একটি ভ্যান ভাড়া করে দেন বাবা। সেই ভ্যানে কলেজে যাতায়াত করে বিএ পাস করেন। এরপর যশোর এমএম কলেজ থেকে ২০১৬ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স পাস করেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft