
অবশেষে জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে ঘর পাচ্ছেন ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা মর্জিনা বেগম। গতকাল জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, বৃদ্ধা মর্জিনা বেগমকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন দেখার পরপরই তাকে একটি ঘর তৈরি করে দেয়ার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এদিকে নতুন ঘর তৈরির সংবাদ পেয়ে বৃদ্ধা মর্জিনা অশ্রুসিক্ত চোখে সীমাহীন কৃতজ্ঞতা জানালেন জেলা প্রশাসক ও গণমাধ্যমের প্রতি।
আনন্দে আবেগাল্পুত হয়ে কান্না জড়িত কন্ঠে তিনি জানান, এবার প্রচন্ড বর্ষায় আমার মাটির ঘরটি ভেঙ্গে যায়। এ নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছি। হতাশা হয়ে ফিরতে হয়েছে। নতুন ঘর পাওয়ার কথা তিনি ভাবতেও পারছিলেন না। এখন নতুন ঘর পাবেন মনে অনেক শান্তি পাচ্ছেন। আগে ঝড়-বৃষ্টির সময় ভয়ে ঘুমুতে পারতেন না। এখন আর সেই ভয়ও থাকবে না।দু হাত তুলে প্রার্থনা করে মর্জিনা বেগম বলেন,এমন ডিসি যেন সবার ঘরে জন্ম নেয়। তাহলে আমার মত গরিবের আর কস্ট থাকবে না।
এর আগে গত শুক্রবার (২০ নভেম্বর) বিভিন্ন গণমাধ্যমে “বৃষ্টিতে ভেঙে গেছে বৃদ্ধার ঘর, দ্বারে দ্বারে ঘুরে হতাশ মর্জিনা” এ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
প্রসঙ্গত, সদর উপজেলার ১৯নং বেগুনবাড়ী ইউনিয়নের নতুন পাড়া গ্রামের মর্জিনা বেগমের চলতি বছর বর্ষায় মাটির তৈরি একমাত্র ঘরটি ভেঙে পড়ে যায়। আপাতত তিনি অন্যের বাড়ির বারান্দায় রাত্রিযাপন করছেন। একটা বিধবা ভাতা কার্ডের জন্য জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে হতাশ হয়ে ফিরতে হয়েছিল তাকে। ১০ বছর আগে স্বামীকে হারিয়ে তার ঠাঁই হয় একমাত্র ছেলে আলম হোসেনে কাছে।