
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার কাটলা বাজারে শরিফ উদ্দিনের বাড়ীর সামনে পাঁকা প্রাচীর নির্মাণ করায় বাড়ীর লোকজন বাড়ী থেকে বের হতে না পারায় ওই পরিবারে লোকজন বাড়ীতে অবরুদ্ধ হয়ে থাকায় সু বিচারের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ জানা গেছে, উপজেলার কাটলা ইউনিয়নে দক্ষিন দাউদপুর গ্রামের দছির উদ্দিনের প্রবাসীপুত্র শরিফ উদ্দিন প্রায় একযুগ পূর্বে কাটলা বাজারে তার ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে বাড়ীঘর নির্মাণ করে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছে।তবে বাড়ী নির্মাণের পর বাড়ী থেকে বের হওয়ার জন্য রাস্তার সমস্যা সৃষ্টি হলে সে সময় বাড়ীর মালিক ও প্রতিবেশী বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের সহিত উভয়ের মধ্যে আলোচনা সাপেক্ষে শরিফ বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের কাছ থেকে ২০১৫ সালে ৩শ টাকা মূল্যের স্ট্যাম্পে লেখাপড়ার মাধ্যমে ২৫ হাজার টাকায়, রাস্তার দিক উল্লেখ করে সাড়ে ২৩ ফিট জায়গা নেয়।
সেই মোতাবেক ওই রাস্তা দিয়ে বাড়ীর লোকজন চলাচল করছিল। সম্প্রতি সময়ে শরিফের বাড়ীর সামনে ভুমি অফিসের নতুন ভবনের কাজ শুরু হলে তার বাড়ীর দরজার সামনে প্রাচীর নির্মিত হওয়ায় গত ২৪-০৯-২০২০ প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের পবিবারের ওয়ারিশগণ রাতের আধারে প্রাচীর নির্মান করায় চরম সংকটে পড়ে, প্রবেশের রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়।
বাড়ীতে ঢোকার যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছে পরিবারটি। এমতাবস্থায় শরিফ জীবীকার তাগিদে প্রবাসে অবস্থান করায় ২৭ সেপ্টেম্বর তার বড় ভাই নাসির উদ্দিন বন্ধ রাস্তাটি চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে একটি আবেদন করলেও অদ্যবধি রাস্তার বিষয়ে কোন সুরহা না হওয়ায় বিভিন্ন দপ্তরের দারে দারে ঘুরছে পরিবারটি।
দঃখজনক হলেও সত্য পরিবারটি বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিক হওয়া সত্বেও একজন নাগরিক হিসাবে মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। তারা কি ফিরে পাবে তাদের সেই অধিকার এমন প্রশ্নের মাঝেও অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রশাসনসহ সকলের দ্রæত হস্তক্ষেপ কামনা করেন অসহায় পরিবারটি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিমল কুমার সরকার অভিযোগের কথা নিশ্চিত করে জনান, বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান সাহেব ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন চলাচলের রাস্তা খুলে দেওয়ার জন্য দ্রæত ব্যবস্থা নিচ্ছেন।