
গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়নের পূর্ব গোপীনাথপুর গ্রামের এস.এম মাহবুবুল আলম বিএসসি শিক্ষকের পরিবারকে মাদক দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থে গ্রহণের দাবিতে ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এব্যাপারে ওই শি্ক্ষক জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এস.এম মাহবুবুল আলম বিএসসি উল্লেখ করেন, তিনি বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বাশিস) পলাশবাড়ি উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক। তিনি পলাশবাড়ি উপজেলার ডি.ইউ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে প্রায় ৩৩ বছর ধরে সুনামের সাথে শিক্ষকতা করে আসছেন। তাঁর স্ত্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক। তার বড় ছেলে শেখ নাজিমুদ্দৌলা বাধন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ গাইবান্ধা জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং ‘মাদককে না বলুন’ ও ‘মানুষ মানুষের জন্য’ সামাজিক সংগঠনের সভাপতি এবং এশিয়ান ইউনিভার্সিটির একজন নিয়মিত ছাত্র। এছাড়াও তার ছোট ছেলে নাজিবুর রহমান নয়ন বগুড়ার আই.আই.টি.বি পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের সাবেক ভিপি। নয়নও মাদককে না বলুন সামাজিক সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং আনোয়ার খান মডার্ন ইউনিভার্সিটির টেক্সটাইল বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র। সে পলাশবাড়ী উপজেলা শাখার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক পদ প্রার্থী। তারা দু’জন ১৩/১৪ দিন যাবৎ ঢাকায় অবস্থান করছে। এ সুযোগে ষড়যন্ত্রকারীরা রাজনৈতিক কারণে তাকে ও তার পরিবারকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য বাড়ির পেছনে অসৎ রাজনীতিবিদদের কু-পরামর্শে একদল মাদক ব্যবসায়ী গোপনে মাদক দ্রব্য রেখে যায়। গত ১৮ অক্টোবর গাইবান্ধা ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩ জন ষড়যন্ত্রকারীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলো পলাশবাড়ি উপজেলার জালাগাড়ি দুর্গাপুর গ্রামের ফজলুল বারীর ছেলে গামা, আমলাগাছি গ্রামের দবির উদ্দিনের ছেলে খলিলুর রহমান ও নয়নপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে শাহ আলম। ওই শিক্ষকের পরিবারকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মদদে মাদক ব্যবসায়ীরা ফাঁসানোর জন্য বাড়ির পেছনের বাথরুমের ছাদে মাদক রেখে গিয়েছিল বলে তারা ডিবি পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে এস.এম মাহবুবুল আলম দাবি করেন, তার পরিবারকে বিতর্কিত ও সমাজে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য এবং তার ছেলে নাজিবুর রহমান নয়ন যেন পলাশবাড়ী উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক হতে না পারে সেজন্য কিছু অসৎ স্বার্থান্বেষী রাজনীতিবিদ এ ধরণের পরিকল্পিত অপকর্মে অপতৎপরতা চালাচ্ছে ।