1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন
২২শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৭ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
বেইমানদের ১২ তারিখ ‘লাল কার্ড’ দিয়ে বিদায় করে দিবে—– লালমনিরহাটে জামায়াত আমীর নির্বাচনি দায়িত্বে আচরণবিধি প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা : ইসি মাছউদ নির্বাচনে সংশ্লিষ্টদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পলাশবাড়ীতে আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী ক্যাম্পেইন অবাধ নির্বাচন ও সুশাসনের অঙ্গীকারে গাইবান্ধায় এক মঞ্চে প্রার্থীরা গোবিন্দগঞ্জে আলু চাষে আধুনিক প্রযুক্তি শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ গাইবান্ধায় রেলওয়ের লোহার বাউন্ডারী কেটেছে দুর্বৃত্তরা : নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন পীরগঞ্জে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি,ন্যায্য মজুরির দাবিতে প্রশাসনিক প্রাঙ্গণে উচ্চকণ্ঠ পলাশবাড়ীতে চ্যানেল এস এর বর্ষপূর্তি পালিত

৪০০ কোটি টাকার করোনা টেস্টিং কিট কেনার অনুমতি

  • আপডেট হয়েছে : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২০
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে কিট কেনাসহ অন্যান্য মেডিকেল সরঞ্জাম সংগ্রহের জন্য ৪০০ কোটি টাকা ছাড় করেছে অর্থ বিভাগ। এর আগে করোনা মোকাবেলায় ভাইরাস শনাক্তের কিট সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করে আসছিল সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোর ডিপো বা কেন্দ্রীয় ঔষধাগার।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবালয় অংশে বরাদ্দকৃত চিকিৎসা ও শল্য চিকিৎসা সরঞ্জামাদি সরবরাহ খাতে বরাদ্দকৃত ৫০০ কোটি টাকা থেকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনুকূলে পুনঃউপযোজনে সম্মতি চাইলে গত ৩০ জুলাই তা অনুমোদন দেয়া হয়। এ টাকা দিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের কেন্দ্রীয় ঔষধাগার টেস্টিং কিট কেনাসহ অন্যান্য মেডিকেল সরঞ্জাম ক্রয় করবে।

অর্থ বিভাগ বলছে, চলতি (২০২০-২১) অর্থবছরের বাজেটে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবালয় অংশে চিকিৎসা ও শল্য চিকিৎসা সরঞ্জামাদি সরবরাহ খাতে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এ বরাদ্দ অর্থ থেকে ৪০০ কোটি টাকা স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের আওতাধীন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনুকূলে পুনঃউপযোজনের অনুরোধ জানানো হয়।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পক্ষ থেকে পুনঃউপযোজনের বিষয়ে বলা হয়েছে, সারাদেশে স্থাপিত আরটি পিসিআর ল্যাবের জন্য টেস্টিং কিট, সোয়াব স্টিক ক্রয় প্রভৃতি কার্যক্রম স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীন কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে ক্রয় বা সংগ্রহ করা হয়। কেন্দ্রীয়ভাবে ক্রয়কৃত সুরক্ষা সামগ্রী, টেস্টিং কিট ও অন্যান্য সামগ্রী প্রয়োজন অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ঔষধাগার থেকে বিরতণ করা হয়। কাজেই প্রস্তাবিত অর্থ স্বাস্থ্য অধিদফতরের কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের অনুকূলে চিকিৎসা ও শল্য চিকিৎসা সরঞ্জামাদি সরবরাহ খাতে পুনঃউপযোজন করা প্রয়োজন। যাতে সম্মতি দিয়েছে অর্থ বিভাগ। বেশকিছু শর্তজুড়ে দিয়েছে অর্থ বিভাগ।

শর্তগুলো হলো- অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে দ্য পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট-২০০৬ এবং দ্য পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস-২০০৮ অনুসরণসহ যাবতীয় আর্থিক বিধি-বিধান যথাযথভাবে পালন করতে হবে। অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে কোনো অনিয়ম উদঘাটিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে।

এ অর্থ প্রস্তাবিত খাত ব্যতীত অন্য খাতে ব্যয় করা যাবে না। অব্যয়িত অর্থ (যদি থাকে) যথাসময়ে সমর্পণ করতে হবে। পুনঃউপযোজনকৃত অর্থ চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে সংশ্লিষ্ট কোডে সমন্বয় করতে হবে। জারিতব্য সরকারি আদেশে সমন্বয় কোড উল্লেখ করতে হবে এবং উপযোজনকৃত অর্থ অব্যয়িত অর্থের মধ্যে সীমিত রয়েছে তা নিশ্চিত করে বিল পরিশোধ করতে হবে।

এদিকে সময়মতো টাকা না পাওয়ায় গত ৫ এপ্রিল কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের পরিচালক আবু হেনা মোরশেদ জামান অর্থ সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি দেন।

চিঠিতে তিনি বলেন, টাকা ছাড় করা না হলে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। তীব্র জনঅসন্তোষ তৈরি হবে। এতে সরকারের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হবে। সর্বোপরি এক বিপর্যয়কর পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটতে পারে।

সিএমএসডির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, করোনা পরীক্ষা ও কোভিড-১৯ রোগের চিকিৎসা নিয়মিত রাখা, অত্যাবশ্যক মেডিকেল সরঞ্জামের সাপ্লাই চেইন অব্যাহত রাখা, সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানসমূহের আস্থা ধরে রাখা, সিএমএসডিসহ সরকারের ভাবমূর্তি সমুজ্জ্বল রাখা তথা অতি জরুরি জনস্বার্থে জরুরিভিত্তিতে ৪৯৮ কোটি ৫৫ লাখ ৯৮ হাজার ২০০ টাকা বরাদ্দ প্রয়োজন। সে চিঠির প্রেক্ষিতে গত ১৮ জুলাই ৪০০ কোটি টাকা ছাড় করে অর্থ বিভাগ।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft