
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকীতে তার স্মরণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ কামাল যদি বেঁচে থাকতো, সমাজকে অনেক কিছু দিতে পারতো।’
আজ বুধবার ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব মন্তব্য করেন।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অডিটোরিয়ামে শেখ কামালের বর্ণাঢ্য জীবনের ওপর ভার্চুয়াল এই আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে যোগ দেন প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ সময় তিনি বলেন, ‘শেখ কামালের যে বহুমুখী প্রতিভা ছিল তা বিকশিত হয়ে সব অঙ্গনে ভূমিকা রাখতে পারতো। সে সেটা রেখেও গেছে। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তার সে ভূমিকা আছে। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে প্রতিটি আন্দোলনে সে বড় ভূমিকা রেখেছে।’
ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন– প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান এমপি, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ এমপি ও বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। সভায় সভাপতিত্ব করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি।
সভা ও দোয়া মাহফিলের ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসরকারি বাসভবন গণভবন থেকে যোগ দিয়ে আয়োজনের শুরুতে তিনি শেখ কামালের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আল্লাহ যেন তাকে বেহেশত নসিব করেন। কামাল আজ আমাদের মাঝে নেই। ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট বাবা, মা, ভাই, আত্মীয়-পরিজনসহ সে ঘাতকের নির্মম আঘাতে সে শাহাদাত বরণ করেছে। এই আগস্ট শোকের মাস। এই মাসেই তার জন্মদিন।’
ছোট ভাই সম্পর্কে শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘কামাল আমার থেকে দুই বছরের ছোট। তার মেধা বহুমুখী ছিল। একদিকে যেমন ক্রীড়া সংগঠক, সাংস্কৃতি জগতেও তার প্রতিভা ছিল। সে অভিনয় করতো, গান গাইতো, সেতার বাজাতো। খেলাধুলায় তার সবচেয়ে বড় আবদান। ধানমন্ডিতে কোনও খেলাধুলার ব্যবস্থা ছিল না। এক্ষেত্রে সে-ই উদ্যোগ নেয়।’