1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
২২শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৭ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ীর গর্ব: বিকেএসপিতে সুযোগ পেল দুই নারী ফুটবলার বেইমানদের ১২ তারিখ ‘লাল কার্ড’ দিয়ে বিদায় করে দিবে—– লালমনিরহাটে জামায়াত আমীর নির্বাচনি দায়িত্বে আচরণবিধি প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা : ইসি মাছউদ নির্বাচনে সংশ্লিষ্টদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পলাশবাড়ীতে আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী ক্যাম্পেইন অবাধ নির্বাচন ও সুশাসনের অঙ্গীকারে গাইবান্ধায় এক মঞ্চে প্রার্থীরা গোবিন্দগঞ্জে আলু চাষে আধুনিক প্রযুক্তি শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ গাইবান্ধায় রেলওয়ের লোহার বাউন্ডারী কেটেছে দুর্বৃত্তরা : নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন পীরগঞ্জে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি,ন্যায্য মজুরির দাবিতে প্রশাসনিক প্রাঙ্গণে উচ্চকণ্ঠ

আমিরাতের ভয়াবহ আগুন, নিঃস্ব অনেক বাংলাদেশি

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২০
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান এলাকার মার্কেটে ভয়াবহ আগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় যারা সব হারিয়েছেন তাদের মধ্যে বেশ কয়েক জন বাংলাদেশি প্রবাসী আছেন।

আমিরাতের ইংরেজি দৈনিক দ্য ন্যাশনালে দোকান মালিকদের দুর্দশা সংক্রান্ত যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, সেখান থেকে এই প্রবাসীদের কথা জানা গেছে। প্রতিবেদনে মোহাম্মদ আরিফ ইসলাম নামের ২৫ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি যুবকের কথা বলা হয়েছে, যার একটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

‘আমাদের সব শেষ হয়ে গেল। ১১ বছর ধরে এই দোকান দিয়ে আমাদের বড় পরিবার চলছিল,’ জানিয়ে আরিফ বলেন, ‘এখন কিছু থাকলো না।’

‘এই ব্যবসা আমার মা, ভাই, বোনসহ আরো অনেককে বাঁচিয়ে রেখেছিল। এখন আমাদের কী হবে।’

বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে আজমানের শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত ওই মার্কেটে আগুন লাগে। সেখানে কয়েক জন বাংলাদেশির যেমন দোকান ছিল, তেমনি আরও অনেকে কাজ করতেন। এখন সবার আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেল।

৩৭ বছর বয়সী মোহাম্মদ হুসেইন একটি কার্পেটের দোকানে এক দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করছিলেন। আগুন লাগার সময় মার্কেটের পাশে ছিলেন তিনি।

বাংলাদেশি এই প্রবাসী বলেন, ‘আমি ভীষণ হতাশ হয়ে পড়েছি। এখানে আমরা প্রায় ৬০০ মানুষ কাজ করি। করোনার কারণে ঠিকমতো পারিশ্রমিক পাইনি। এখন তো চাকরিটাই চলে গেল।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft