
রংপুরের পীরগঞ্জের বড় দড়গাহ্ ইউনিয়নের ছোট মির্জাপুর (পাঠাই টারি) গ্রামে গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় পুকুর থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ। নিহত গৃহবধু উক্ত গ্রামের আতিকুর ইসলামের স্ত্রী খাদিজা বেগম (২৫) বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার রাত্রি আনুমানিক ১০টা থেকে পরিবারের লোকজন গৃহবধু খাদিজা বেগমকে খুজে পাচ্ছিলনা। পরদিন সকালে বাড়ীর পিছনের একটি পুকুরে প্রতিবেশীরা তার লাশ ভাসতে দেখে পরিবারের লোকসহ পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে সকাল ৮টায় নিহত গৃহবধুর লাশ উদ্ধার পুর্বক মর্গে প্রেরন করে। উদ্ধারকৃত লাশ নিয়ে এলাকায় নানা কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে। কারন নিহতের লাশ উঠানোর পর নাক মুখ দিয়ে রক্তক্ষরনসহ শরীরের নানা স্থানে আঘাতে দাগ ফুটে উটেছে।
নিহত গৃহবধুর বাবা মিঠাপুকুর উপজেলার খামার হরিপুর গ্রামের হাফিজার রহমান এর দাবি তার কন্যাকে শশুর বাড়ির লোকজন অথবা প্রতিবেশীর কেউ পিটিয়ে হত্যার পর লাশ পুকুরে ফেলে দিয়েছে।
পীরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মাসুম এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ময়না তদন্তে রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত আমরা কিছুই বলতে পারবো না।
এলাকাবাসীর ধারনা ঘটনাটি সম্পুর্ন রহস্যজনক, তাকে হয় পরিবারের লোকজন নয়তো অন্য কেহ হত্যার পর পুকুরে ফেলে দেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য নিহত খাদিজা বেগমের ২টি পুত্র সন্তান রয়েছে, ১জনের বয়স ৩ বছর এবং অপর ছেলের ৫ মাস। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গৃহবধূর বাবার বাড়ীর লোকজনদের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।