
নভেল করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধ ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শর্তসাপেক্ষে সার্বিক কার্যাবলি ও চলাচলে জনগণের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। আজ থেকে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত জনগণের অবাধ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়, রেড জোন বা লাল অঞ্চলে অবস্থিত সামরিক বা অসামরিক সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি দফতরসমূহ এবং বসবাসকারী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সাধারণ ছুটির আওতায় থাকবেন।
নির্দেশনায় বলা হয়, ১৬ জুন থেকে রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (প্রয়োজনীয় বেচা-কেনা, কর্মস্থলে যাতায়াত, ওষুধ কেনা, চিকিৎসাসেবা, মরদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাতি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে আসা যাবে না। তবে সর্বাবস্থায় বাইরে চলাচলের সময় মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অন্যথায় নির্দেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, সড়ক ও নৌ পথে সব ধরনের পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়োজিত যানবাহন যেমন ট্রাক, লরি, কার্গো ভেসেল প্রভৃতির চলাচল অব্যাহত থাকবে।
নিষেধাজ্ঞাকালীন জনগণ ও সব কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ কর্তৃক জারি করা নির্দেশমালা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।
চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মী ও ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মী, গণমাধ্যম (ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া) এবং ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্কে নিয়োজিত কর্মীরা এ নিষেধাজ্ঞার আওয়ার বাইরে থাকবে।
এছাড়াও নিষেধাজ্ঞা চলাকালে কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে না। তবে অনলাইন কোর্স ও ডিস্টেন্স লার্নিং অব্যাহত থাকবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ প্রশাসনিক কার্যাবলি চালাতে পারবে।
অঞ্চলভিত্তিক নিয়ন্ত্রিত ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।
নিষেধাজ্ঞা চলাকালে শর্তসাপেক্ষে সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন, যাত্রীবাহী নৌযান, রেল ও বিমান চলাচল করতে পারবে। তবে সর্বাবস্থায় মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্য বিভাগের জারিকৃত নির্দেশনা কঠোরভাবে মেলে চলতে হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে ১৬ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত মোট ১৮টি নির্দেশনা দেয়া হয়। সূত্র-আরটিএনএন