1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৮ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় কমিউনিস্ট পার্টির ৭৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাঘাটায় গোয়ালঘরে ভয়াবহ আগুনে দগ্ধ হয়ে ২টি গরুর মৃত্যু গাইবান্ধায় জাল টাকাসহ সিন্ডিকেটের এক সদস্য গ্রেফতার গাইবান্ধায় স্কুলছাত্রী অপহরণের ঘটনায় প্রধান আসামী গ্রেফতার : ভিকটিম উদ্ধার বিএনপি সংসদ সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর গাইবান্ধায় নির্মাণ শ্রমিকদের সম্মানে ইফতার ও দো’আ মাহফিল অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় এতিম ও দুঃস্থদের নিয়ে জোনার ফাউন্ডেশনের ইফতার মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া গাইবান্ধায় দুই খাদ্য উৎপাদন প্রতিষ্ঠানে রঙ ব্যবহার করায় জরিমানা ঢাকাস্থ গোবিন্দগঞ্জ সমিতির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশে করোনার বিস্তার রোধের সুযোগ এখনও আছে: চীনা বিশেষজ্ঞ

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২০
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেছেন চীনা ভাইরাস বিশেষজ্ঞ ড. জ্যাং ওয়েহং। তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের সুযোগ এখনও রয়েছে।

এই চীনা বিশেষজ্ঞের অভিমত, বিপুর পরিমাণে পরীক্ষা বাড়াতে হবে এবং যাদের করোনা পাওয়া যাননি তাদেরকে আক্রান্ত রোগীকে পৃথক করার মধ্য দিয়ে মহামারি করোনা প্রতিরোধ সম্ভব।

ড. জ্যাং ওয়েহং বলেন, সন্দেহভাজন সব ব্যক্তিকে পরীক্ষা করা ছাড়া এই রোগ কোনো সুস্থ মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকে। তখন আর কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

তিনি বলেন, পরীক্ষার পর এটাও নিশ্চিত করতে হবে যে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে যারা এসেছেন তাদের যেন হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। তবে যখন রোগীর পরীক্ষা করা হবে তখন খেয়াল রাখতে হবে যে, গোটা হাসপাতাল যেন তার দ্বারা সংক্রমিত না হয়।

চীনা এ বিশেষজ্ঞ বলেন, এ জন্য প্রয়োজন হবে হাসপাতালের বাইরে স্ক্রিনিং স্টোর তৈরি করা এবং যাদের মৃদু লক্ষণ থাকবে তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো। শুধু যাদের গুরুতর সমস্যা দেখা দেবে কাদের হাসপাতালের ভেতরে চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য নেয়া যেতে পারে। যদি সব মানুষকেই হাসপাতালের ভেতরে নিয়ে পরীক্ষা করানো হয়, তাহলে চিকিৎসক এবং নার্সরা সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও পরীক্ষাসহ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। সেগুলো কতটা কার্যকর হয়েছে তা দুই সপ্তাহ পর বুঝা যাবে। মৃত্যুর হারও নির্ভর করবে করোনা পরীক্ষার ওপর। যদি ব্যাপক হারে পরীক্ষা নিশ্চিত করা যায় তাহলে মৃত্যুর হারও হবে কম।

তিনি উল্লেখ করেন, সাংহাই এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় একই সময়ে করোনার দেখা পাওয়া যায়। সাংহাইয়ের পরিস্থিতির উন্নতি দেখা গেছে কিছু সহজ পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে যেখানে যুক্তরাষ্ট্রকে এর কিছুই করতে দেখা যায়নি।

তিনি বলেন, পলিমারি চেইন রিঅ্যাকশন (পিপিই) দিয়ে করোনার পরীক্ষা অ্যান্টিবডির মাধ্যমে পরীক্ষার তুলনায় অনেক বিশ্বস্ত। যদি নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা পদ্ধতি না থাকে তাহলে অনেক আক্রান্ত ব্যক্তিই হয়তো অগোচরে তার লোকালয়ে এ ভাইরাস ছড়িয় বেড়াবে।

এই চিকিৎসক হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবার রাখার কথা বলেন। তার মতে, এ রোগে ২০ ভাগ ব্যক্তিকে অক্সিজেন দিতে হয়।

তিনি বলেন, কভিড-১৯ কোনো সীমানা জানে না এবং এ জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা বজায় রাখা জরুরি। ম্যালেরিয়া ওষুধে করোনা সারে এর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। হয়তো এ ওষুধ কিছুটা ব্যথার উপশম ঘটাতে পারে কিন্তু ভাইরাসের কাজ থামাতে পারবে না।

ওই বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিংসহ স্বাস্থ্য খাদের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!