
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ীর নিউ রেজিয়া ক্লিনিকের ডাক্তার পিকে শাহিনকে সাদা পোষাকে এসে আটক করে নিয়ে গিয়েছে বগুড়া সদরের স্টেডিয়াম ফাড়ির পুলিশের এসআই জাহাঙ্গীর আলম ও সঙ্গীয় টিম এবং মামলার বাদী সাবেক স্ত্রী জেসমিন বেগম। ২৬ এপ্রিল রবিবার সন্ধ্যায় ইফতারের মহূর্তে পলাশবাড়ী পৌর শহরের তিনমাথা মোড়স্থ ভাড়া বাসা থেকে ডাঃ পিকে শাহিনকে আটক করে নিয়ে যায়।
ডাঃ পিকে শাহিনের দ্বিতীয় স্ত্রী জানান, ইফতারের মহুূর্তে আচমকা এসে কোন কথা নেই মারধর পাছরাপাছরি করে ঘরের আসবাসপত্র তছনছ করেছেন সাদা পোষাকে একদল পুলিশ পরিচয়ধারী ব্যক্তি। এসময় তারা ডাঃ শাহিনকে বেধড়ক মারধর করে ঘরের নগদ অর্থ ও জরুরী কাগজপত্রাদি নিয়ে যায়।
পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদুর রহমানের সাথে এবিষয়ে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই এবং পলাশবাড়ী থানা পুলিশ এমন কাউকে গ্রেফতার করেনি। জেলার বাহিরে অন্য থানা হতে কোন পুলিশ কর্মকর্তা এসে গ্রেফতার করবে এ বিষয়ে কোন তথ্য আমার কাছে নেই বা আমার উচ্চপদস্থ কেউ আমাকে এমন কোন তথ্য দেয়নি ।
ডাঃ পিকে শাহিন বগুড়া সদরের খান্দার এলাকার আলহাজ্ব জাকির হোসেনের ছেলে।
তার পরিবারের সূত্রে জানা যায় ডাঃ শাহিনকে বগুড়া সদর থানায় আনা হয়েছে। এরপর এবিষয়ে বগুড়া সদর থানা ওসি এস এম বদিউজ্জামানের সহিত একাধিকবার যোগাযোগ করে না পাওয়ায় তাহার কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে এস আই জাহাঙ্গীর আলম মোবাইলে কথা হলে তিনি জানান, বগুড়া জেলার অতিরিক্ত সহকারী পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তীর নির্দেশনায় গত ১৮ সালের মামলায় যাহার নাম্বার ৯৫/১৯ নারী শিশু নির্যাতন আইন (গ) এর ৩০ ধারা মামলায় গত ১৯ সাল হতে পলাতক আসামী ডাঃ পিকে শাহিন। ডাঃ শাহিনকে গ্রেফতারের সময় আমি পোষাক ছাড়া থাকলেও আমার সঙ্গীয় ফোর্সদের গায়ে পোষাক ছিলো। গ্রেফতারকৃত ডাঃ পিকে শাহিন বর্তমানে বগুড়া সদর থানা হাজতে রয়েছে বলে জানায় পুলিশের এ কর্মকর্তা। তিনি আরো জানান, এসময় মামলার বাদী জেসমিন বেগম আমাদের সঙ্গে ছিলেন।