
করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ মনিটরিংয়ের দায়িত্ব পাচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ যৌথভাবে মনিটরিং কাজ পরিচালনা করবে।
মনিটরিংয়ের মূল কাজ হবে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন ঠিকমতো হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করা। পাশাপাশি প্যাকেজের অর্থ কিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যাদের জন্য প্যাকেজ করা হয়েছে তারা সহায়তা পাচ্ছে কি না, কোনো ঋণখেলাপি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এর থেকে কোনো ধরনের সহায়তা পাচ্ছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হবে।
মনিটারিং কাজটি করার জন্য আনুমানিক ১০ থেকে ১৫ সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হবে। কমিটিতে অর্থ মন্ত্রণালেয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের এমডিদের রাখা হবে। কমিটির আহ্বায়ক করা হবে অর্থ বিভাগের এক অতিরিক্ত সচিবকে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে কোনো ঋণখেলাপি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেয়া হবে না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, প্রণোদনার ঋণ ব্যাংক-গ্রাহক ভিত্তিতে হলেও গ্রাহককে প্রণোদনার ঋণ পেতে আবেদন করতে হবে। আবেদনের একটি তালিকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক তা পাঠাবে অর্থ মন্ত্রণালয়ে।
জানা গেছে, সরকার যেসব প্রণোদনা দিয়েছে তার সম্পূর্ণ বিবরণ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্য একটি সার-সংক্ষেপ তৈরি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সার-সংক্ষেপে প্রণোদনার অর্থ কিভাবে ব্যয় হবে তার বর্ণনা দেয়া হয়েছে। কোন কোন খাত এতে উপকৃত হবে তাও বলা হয়েছে। সার-সংক্ষেপে প্রণোদনা বাবদ সরকারের ভর্তুকি ও সুদ ব্যয় সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে। এতে সরকারি ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর অ্যাকশন প্ল্যানের বিস্তারিত বর্ণনাও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক এবং মন্ত্রণালয়গুলো একটি অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করেছে। অ্যাকশন প্ল্যানটি ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে সবাই।