
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি একেএম শামীম ওসমান মুজিববর্ষ উপলক্ষে ৫ হাজার ২৭৫ বার পবিত্র কোরআনখানি করিয়ে উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন।
আজ শুক্রবার নারায়ণগঞ্জ মাসদাইর কবরস্থান জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে শামীম ওসমান এ বিষয়টি জানান।
শামীম ওসমান এ সময় বলেন, ‘কোনো কিছুর বিনিময় ছাড়াই স্বেচ্ছায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুবিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে হাফেজ সাহেব ও এতিমরা ৫ হাজার ২৭৫ বার কোরআনে খতম দিয়েছেন। এই খতমে কোরআন আল্লাহর নবীর নামে বখশে দেওয়া হয়েছে এবং বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারসহ সকল শহীদদের নামেও বখশে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার জন্য দোয়া করা হয়েছে।’
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি বলেন, ‘পৃথিবীব্যাপী যে মহামারির (করোনাভাইরাস) আক্রমণে মানব সম্প্রদায় আজকে কঠিন মুহূর্তে উপনীত হয়েছে সেখানে একমাত্র সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ ও তার কাছে ক্ষমা ভিক্ষা ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার নেই। তাই পবিত্র কোরআনখানির মাধ্যমে এই পন্থাকেই আমি সর্বোত্তম বলে মনে করেছি। ’
শামীম ওসমান এসময় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই মসজিদের পাশেই কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন আমার দাদা ও বাংলাদেশ আ.লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য, ভাষা সৈনিক খান সাহেব ওসমান আলী, বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্য ও স্নেহ পাওয়া আমার মা ভাষা সৈনিক নাগিনা জোহা, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ,ভাষা সৈনিক আমার বাবা একেএম সামুসজ্জোহা, যিনি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে মুক্ত করতে গুলি খেয়েছিলেন। এখানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন আমার বড় ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান, যিনি বিয়ের পরদিনই বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিশোধ নিতে প্রতিরোধ যুদ্ধে চলে গিয়েছিলেন। ’
তিনি বলেন, ‘মূলত, যে নারায়ণগঞ্জে জাতির জনকের ব্যাপক বিচরণ ছিল, যে নারায়ণগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জবাসীকে বঙ্গবন্ধু ভালোবাসতেন, সেই নারায়ণগঞ্জের মাটিতে ব্যাপকভাবে মুজিববর্ষ পালনের পরিকল্পনা ছিল আমাদের। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী করোনা পরিস্থিতিতে আল্লাহকে খুশি করাই এখন সর্বোত্তম এবং একমাত্র পথ খোলা আছে আমাদের। ’
শামীম ওসমান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা যারা হিমালয় পর্বতের মতো শোক নিয়ে বুকে চেপে আছেন তাদের জন্য স্বতঃস্ফুর্তভাবে বিশেষ দোয়া করা হয়েছে। কারণ তারা এখনও চিৎকার দিয়ে কাঁদতে পারেননি। তারা হয়তো সেদিনই চিৎকার করে কাদঁবেন, কান্নার নোনা জলে বুকের জমানো শোকের পাথর হয়তো সেদিনই গলবে, যেদিন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে পারবেন। এদেশের প্রতিটি মানুষের পেটে ভাত থাকবে, মাথার উপর ছাদ থাকবে।’
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি একেএম শামীম ওসমান মুজিববর্ষ উপলক্ষে ৫ হাজার ২৭৫ বার পবিত্র কোরআনখানি করিয়ে উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন।
আজ শুক্রবার নারায়ণগঞ্জ মাসদাইর কবরস্থান জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে শামীম ওসমান এ বিষয়টি জানান।
শামীম ওসমান এ সময় বলেন, ‘কোনো কিছুর বিনিময় ছাড়াই স্বেচ্ছায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুবিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে হাফেজ সাহেব ও এতিমরা ৫ হাজার ২৭৫ বার কোরআনে খতম দিয়েছেন। এই খতমে কোরআন আল্লাহর নবীর নামে বখশে দেওয়া হয়েছে এবং বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারসহ সকল শহীদদের নামেও বখশে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার জন্য দোয়া করা হয়েছে।’
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি বলেন, ‘পৃথিবীব্যাপী যে মহামারির (করোনাভাইরাস) আক্রমণে মানব সম্প্রদায় আজকে কঠিন মুহূর্তে উপনীত হয়েছে সেখানে একমাত্র সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ ও তার কাছে ক্ষমা ভিক্ষা ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার নেই। তাই পবিত্র কোরআনখানির মাধ্যমে এই পন্থাকেই আমি সর্বোত্তম বলে মনে করেছি। ’
শামীম ওসমান এসময় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই মসজিদের পাশেই কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন আমার দাদা ও বাংলাদেশ আ.লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য, ভাষা সৈনিক খান সাহেব ওসমান আলী, বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্য ও স্নেহ পাওয়া আমার মা ভাষা সৈনিক নাগিনা জোহা, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ,ভাষা সৈনিক আমার বাবা একেএম সামুসজ্জোহা, যিনি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে মুক্ত করতে গুলি খেয়েছিলেন। এখানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন আমার বড় ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান, যিনি বিয়ের পরদিনই বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিশোধ নিতে প্রতিরোধ যুদ্ধে চলে গিয়েছিলেন। ’
তিনি বলেন, ‘মূলত, যে নারায়ণগঞ্জে জাতির জনকের ব্যাপক বিচরণ ছিল, যে নারায়ণগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জবাসীকে বঙ্গবন্ধু ভালোবাসতেন, সেই নারায়ণগঞ্জের মাটিতে ব্যাপকভাবে মুজিববর্ষ পালনের পরিকল্পনা ছিল আমাদের। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী করোনা পরিস্থিতিতে আল্লাহকে খুশি করাই এখন সর্বোত্তম এবং একমাত্র পথ খোলা আছে আমাদের। ’
শামীম ওসমান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা যারা হিমালয় পর্বতের মতো শোক নিয়ে বুকে চেপে আছেন তাদের জন্য স্বতঃস্ফুর্তভাবে বিশেষ দোয়া করা হয়েছে। কারণ তারা এখনও চিৎকার দিয়ে কাঁদতে পারেননি। তারা হয়তো সেদিনই চিৎকার করে কাদঁবেন, কান্নার নোনা জলে বুকের জমানো শোকের পাথর হয়তো সেদিনই গলবে, যেদিন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে পারবেন। এদেশের প্রতিটি মানুষের পেটে ভাত থাকবে, মাথার উপর ছাদ থাকবে।’