1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন
১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৪ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবীতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ গাইবান্ধায় জেলা বিনিয়োগ ও ব্যবসায় উন্নয়ন সহায়তা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ইফতারের আলোয় প্রাণ ফিরে পায় পীরগঞ্জের বাজার গোবিন্দগঞ্জে স্কুলশিক্ষিকা সামছুন্নাহার রুমা হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন গাইবান্ধা জেলা মটর মালিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন পলাশবাড়ীতে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় শিক্ষক দম্পতির কন্যা ফার্দিয়ার বৃত্তি লাভ পলাশবাড়ীর রেখারাণী স্কুলের আয়োজনে ইফতার ও দো’আ মাহফিল গোবিন্দগঞ্জে স্কুল শিক্ষিকা হত্যাকান্ডের ঘটনায় দ্বিতীয় স্বামী আটক গাইবান্ধায় ট্রাক্টর চাপায় গৃহবধূ নিহত গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার আওতাধীন দু’টি রাস্তার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

ভাগ হচ্ছে ভারত: রাহুল গান্ধী

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২০
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, সহিংসতায় যে ৪৬ জনের প্রাণ গেল এতে কারও লাভ হয়নি। শুধু মানুষের ক্ষতি হয়েছে, ভারতমাতার ক্ষতি হয়েছে; আর এতে ভারত ভাগ হচ্ছে।

গতকাল বুধবার রাহুল গান্ধী ও দলের প্রতিনিধি নিয়ে দিল্লিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। খবর হিন্দুস্তান টাইমস।

রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কংগ্রেসের অন্য নেতৃবৃন্দ ছিলেন। তারা ব্রিজপুরি স্কুল পরিদর্শন করেন। গত সপ্তাহের দাঙ্গায় স্কুলটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুড়ে যাওয়া স্কুলে দাঁড়িয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘এই স্কুল হলো ভারতের ভবিষ্যৎ- ঘৃণা ও সহিংসতা এটিকে ধ্বংস করেছে। আমাদের ভবিষ্যৎ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’

এদিকে গতকাল সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দিল্লির সহিংসতায় কীভাবে মুসলমানদের লক্ষ্য বানানো হয়েছে। সেখানে এক শ্রমিকের করুণ কাহিনি উঠে এসেছে। যিনি ছয় দশক আগে বিহার থেকে জীবিকার তাগিদে দিল্লিতে পাড়িয়ে জমিয়েছিলেন। মুনাজির নামে সেই শ্রমিক অন্য লাখ লাখ দরিদ্র অভিবাসীর মতোই ভারতের বর্ধনশীল রাজধানীর এক কোনায় তারপুলিনে ঘেরা এক ছোট ঘরে থাকতেন। একটি পুস্তক বাঁধাইয়ের দোকানে কাজ নিয়ে তিনি চলে যান খাজুরি খাস এলাকায়। এলাকাটি দিল্লির উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। এক সময় বই বাঁধাইয়ের দোকান বন্ধ হলো। সেই সময় তিনি বাড়িতে তৈরি বিরিয়ানির ব্যবসা শুরু করেন।

বিবিসিকে তিনি জানান, আমি নায়ক হয়ে গেলাম, সবাই আমার বিরিয়ানি পছন্দ করত। মুনাজিরের ভাই গাড়িচালক। প্রায় তিন বছর আগে, নিজের ও ভাইয়ের সঞ্চয় মিলিয়ে ২৪ লাখ রুপি দিয়ে একটি বাড়ি কেনেন মুনাজির।

মুনাজির বলেন, ‘এটি ছিল একটি নীড়, যেটি আমি আমার স্ত্রী আর ছয় সন্তানের জন্য সারা জীবনের কষ্টের সঞ্চয় দিয়ে কিনেছিলাম। সারাজীবন শুধু এই একটি মাত্র জিনিস চেয়েছি এবং এই একটি স্বপ্নই আমার বাস্তব হয়েছিল। তবে গত সপ্তাহের মঙ্গলবারের এক রৌদ্রোজ্জ্বল সকালে তার সেই স্বপ্ন পড়ে ছাই হয়ে যায়।প্রমাণ মিলছে যে, পরিকল্পিতভাবে মুসলিমদের টার্গেট করা হয়েছিল এই দাঙ্গায়। নথিবদ্ধ প্রমাণাদি বলছে যে, সেখানে কিছু পুলিশ দাঙ্গাকারীদের সহায়তা করছিল। খাজুরি খাস এলাকায় প্রায় ২০০টির মতো বাড়ি ও দোকান ছিল, যার এক-পঞ্চমাংশের মালিক ছিল মুসলমানরা। যারা জানেন না, তাদের পক্ষে দেখে বোঝা কঠিন ছিল, গা ঘেঁষাঘেঁষি করে থাকা ছোট ঘরগুলোর কোনটি মুসলমানের আর কোনটি তাদের হিন্দু প্রতিবেশীর। তার পরও বেছে বেছে শুধু মুসলিমদের বাড়ি আর দোকানগুলোতেই হামলা করেছিল দুষ্কৃতকারীরা। এখন অক্ষত হিন্দুদের বাড়ির পাশেই চোখে পড়ে মুসলমানদের কালি-ঝুলি মাখা ভাঙাচোরা বাড়ি।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!