1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন
২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৮ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় কমিউনিস্ট পার্টির ৭৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাঘাটায় গোয়ালঘরে ভয়াবহ আগুনে দগ্ধ হয়ে ২টি গরুর মৃত্যু গাইবান্ধায় জাল টাকাসহ সিন্ডিকেটের এক সদস্য গ্রেফতার গাইবান্ধায় স্কুলছাত্রী অপহরণের ঘটনায় প্রধান আসামী গ্রেফতার : ভিকটিম উদ্ধার বিএনপি সংসদ সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর গাইবান্ধায় নির্মাণ শ্রমিকদের সম্মানে ইফতার ও দো’আ মাহফিল অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় এতিম ও দুঃস্থদের নিয়ে জোনার ফাউন্ডেশনের ইফতার মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া গাইবান্ধায় দুই খাদ্য উৎপাদন প্রতিষ্ঠানে রঙ ব্যবহার করায় জরিমানা ঢাকাস্থ গোবিন্দগঞ্জ সমিতির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

করোনা: রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে যেসব খাবার

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২০
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বিশ্বব্যাপী মহামারি আকার ধারণ করেছে। এক দিকে এর চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা যেমন দুরূহ তেমনি আমাদের মতো জনবহুল ও অপ্রতুল চিকিৎসা ব্যবস্থায় করোনার সংক্রমণ মোকাবিলা করা আরও জটিল।

একজন পুষ্টিবিদ হিসেবে তাই আমার এই লেখার বিষয়—কীভাবে ইমিউনিটি বা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে যেকোনো ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলা করা যায়। প্রথমেই প্রয়োজন ব্যক্তিগত সচেতনতা গড়ে তোলা। ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী উপায়গুলো মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজন প্রত্যেকের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অর্থাৎ ইমিউন সিস্টেম বাড়িয়ে তোলা, যাতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের যে মারাত্মক লক্ষ্মণ অর্থাৎ রেসপিরেটরি এবং গ্যাস্ট্রোইনটেসটিন্যাল সংক্রমণের ঝুঁকি প্রতিরোধ করা যায়।

সহজভাবে বললে ভাইরাস হলো প্রোটিন কোটের একটা খারাপ বিষয়, যার কারণে জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্টের মত এমনকি (নতুনভাবে) মারাত্মক নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে, বিশেষ করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণে। এই ভাইরাসটি আমাদের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, তাই শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার প্রতিদিন খেতে হবে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হলো কিছু ভিটামিন, খনিজ (মিনারেল) ও এনজাইম, যা শরীরের ক্ষতিকর ফ্রি রেডিক্যালের (দেহের কোষ, প্রোটিন ও ডিএনএকে ক্ষতিগ্রস্ত করে) বিরুদ্ধে লড়াই করে শরীরের কোষগুলোকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচিয়ে, শরীরে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

পাঁচ ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: মূলত পাঁচ ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এগুলো হলো: ভিটামিন-এ, সি, ই, বিটা-ক্যারোটিন, লাইকোপেন, লুটেইন সেলেনিয়াম ইত্যাদি।

পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার যেগুলো বেশি করে খেতে হবে—

সবজি: লেবু, করলা (কোয়ারসেটিন, কেয়েমপফেরল, বিটা-ক্যারোটিন সমৃদ্ধ), বেগুনি বা লাল বাঁধাকপি, বিট, ব্রকোলি, গাজর, টমেটো, মিষ্টি আলু, ক্যাপসিকাম, ফুলকপি।

শাক: পালংশাক এবং অন্যান্য সবুজ শাক।

ফল: কমলালেবু, পেঁপে, আঙুর, আম, কিউই, আনার, তরমুজ, বেরি, জলপাই, আনারস ইত্যাদি।

মসলা: আদা, রসুন, হলুদ, দারুচিনি, গোলমরিচ।

অন্যান্য: সিমের বিচি, মটরশুঁটি, বিচিজাতীয় খাবার, বার্লি, ওটস, লাল চাল ও আটা এবং বাদাম।

টক দই (প্রোবায়োটিক): এটি শ্বাসযন্ত্র ও গ্যাস্ট্রোইনটেসটিন্যাল সংক্রমণের ঝুঁকি প্রতিরোধ করে। অন্য দিকে শাক-সবজি, ফল, বাদামজাতীয় খাবার শরীরে নিউটোভ্যাক্স ভ্যাকসিনের অ্যান্টিবডি প্রক্রিয়াকে উন্নত করে, যা স্টেপটোকোক্কাস নিউমোনিয়া প্রতিরোধে সক্রিয় ভুমিকা রাখে।

চা: সবুজ চা (গ্রিন টি) ও ব্ল্যাক টিতে এল–থিয়ানিন ও ইজিসিজি নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা আমাদের শরীরে জীবাণু প্রতিরোধের যৌগ তৈরি করে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

যেসব খাবার বাদ দিতে হবে:

● কার্বনেটেড ড্রিংকস, বিড়ি, সিগারেট, জর্দা, তামাক, সাদাপাতা, খয়ের—এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় বাধা দিয়ে ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।

● ঠান্ডা খাবার, যেমন আইসক্রিম, চিনি ও চিনির তৈরি খাবার ভাইরাসের সংক্রমণে সহায়তা করে।

এ ছাড়া…

● ভিটামিন বি-৬, জিংক জাতীয় খাবার (বিচিজাতীয়, বাদাম, সামুদ্রিক খাবার, দুধ ইত্যাদি) বেশি খেতে হবে।

● স্বল্প পরিমাণের ঘুম শরীরে কর্টিসল হরমোনের চাপ বাড়িয়ে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে।

● অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের খুব ভালো কাজ পেতে হলে খাবার রান্নার সময় অতিরিক্ত তাপে বা দীর্ঘ সময় রান্না না করে পরিমিত তাপমাত্রায় রান্না করতে হবে।

● কিছু খাবার যেমন ফল, লেবু, সালাদ ইত্যাদি তাজা অবস্থায় সরাসরি খাওয়া ভালো।

● সামগ্রিকভাবে উদ্ভিজ্জ খাবারই হলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সবচেয়ে ভালো উৎস। বিশেষ করে বেগুনি, নীল, কমলা, ও হলুদ রঙের শাক-সবজি।

এই লেখার উদ্দেশ্য সঠিক পুষ্টির চাহিদা পুরণ করে প্রত্যেকের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করা, যাতে শুধু করোনা (কোভিড–১৯) নয়, সব ধরনের ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলা করতে আমরা ব্যক্তিগতভাবে সক্ষম হতে পারি। তথ্য-ইউএনবি।

শামসুন্নাহার নাহিদ
প্রধান পুষ্টিবিদ ও বিভাগীয় প্রধান, পুষ্টিবিভাগ, বারডেম হাসপাতাল, ঢাকা।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!