
করোনাভাইরাস ঠেকাতে সতর্কতার অংশ হিসেবে এবার এক মাস বন্ধ থাকবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগ।
এর আগে শুক্রবার ভারতের সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায় বিমান ও বাস চলাচল। এখন পর্যন্ত যা সিদ্ধান্ত, তাতে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে দুই দেশের যোগাযোগ।
আজ শনিবার সকালে কলকাতার উদ্দেশে ছেড়ে যায় মৈত্রী এক্সপ্রেসের শেষ ট্রেনটি। তবে এই ট্রেনে সাধারণ বাংলাদেশি যাত্রীদের কেউ যেতে পারেননি।
জানা গেছে, ট্রেনে বাছাই করে কেবল বিশেষ ভিসাধারীদের উঠতে দেন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা। যাত্রীদের বেশির ভাগই ছিলেন ভারতীয় নাগরিক, দেশে ফিরছেন তারা। এতে বিপাকে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেনের সঙ্গে শুক্রবার এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।এদিকে, শুক্রবার সকালেই অল্পসংখ্যক যাত্রী নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে ছেড়ে যায় মৈত্রী একপ্রেস। যদিও করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে ভারত সরকার এদিন সন্ধ্যা থেকে তাদের দেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। গতকাল থেকে ঢাকা-কলকাতা রুটের বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক রুটে বাস পরিচালনা করা পরিবহন মালিকরা।