
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’এক ১৪ মামলার আসামি নিহত হয়েছেন। এসময় ঘটনাস্থল থেকে বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত শহিদুল ইসলাম ওরফে শহিদ (৩৪) একজন শীর্ষ মাদকবিক্রেতা ছিলেন বলে পুলিশের দাবি।
আজ বুধবার ভোরে উপজেলার বাগোয়ান গ্রামের মাঠের মধ্যে তোফাজ্জেল হোসেনের পান বরজের পাশে এ ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হয়।
উপজেলার সীমান্তবর্তী জামালপুর গ্রামের মানিক আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম। শহিদের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধের ১৪টি মামলা রয়েছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় উপজেলার বাগোয়ান গ্রামের মাঠের মধ্যে একটি পান বরজের পাশে দুটি দল মাদক কেনাবেচা করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে দৌলতপুর থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের পৃথক আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদকবিক্রেতারা গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।
বন্দুকযুদ্ধের একপর্যায়ে মাদকবিক্রেতারা পালিয়ে গেলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শহিদুলকে উদ্ধার করে দৌলতপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শহিদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।