1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন
১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৩ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গোবিন্দগঞ্জে স্কুল শিক্ষিকা হত্যাকান্ডের ঘটনায় দ্বিতীয় স্বামী আটক গাইবান্ধায় ট্রাক্টর চাপায় গৃহবধূ নিহত গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার আওতাধীন দু’টি রাস্তার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী তারাগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলন: মোবাইল কোর্টে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সাঘাটায় লাইসেন্সবিহীন সেমাই কারখানায় অভিযানে ২০ হাজার টাকা জরিমানা লালমনিরহাট খামারবাড়িতে উড়ছে না জাতীয় পতাকা, বিধিমালা জানেন না উপ-পরিচালক! লালমনিরহাটে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে ধর্ষন চেষ্টা, গণধোলাইয়ের শিকার বখাটে যুবক পলাশবাড়ীতে মহাসড়কের সংরক্ষিত জায়গা দখল: নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ঢাকা–হাটিকুমরুল–রংপুর ফোরলেন খামেনির মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ‘কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি’ দেওয়া হবে : বিপ্লবী গার্ডস

টাঙ্গাইলে বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলেসহ ৪ জনের মৃত্যুদন্ড

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলে মির্জাপুরে আবদুল আওয়াল (৭০) নামের এক বৃদ্ধকে জবাই করে হত্যার ঘটনার তার ছেলে আসাদুজ্জামান মিয়া (৫৭)সহ ৪ জনকে মৃত্যুদন্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড দিয়েছে আদালত।

আজ রোববার দুপুরে টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এই রায় দেন।

রায়ে দন্ডপ্রাপ্ত অপর তিন আসামী হলেন, মির্জাপুর উপজেলার মীর কুটিয়া গ্রামের মৃত জলিল মিয়ার ছেলে জহিরুল ইসলাম ঝড়ু (৬২), একই উপজেলার মৃত হজরত আলীর ছেলে লুকিমুদ্দিন ওরফে লোকমান (৫১), একই উপজেলার ভাররা গ্রামের জসিম মিয়ার ছেলে মান্নান (৪৭)। দন্ডপ্রাপ্ত সবাই পলাতক রয়েছে। মামলার অপর আসামী আব্দুল লোকমানের কোন সনাক্ত বা সন্ধান না পাওয়াও এজাহার থেকেই খালাস করা হয়েছিলো।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৩০ জুন মির্জাপুর বাংগুলী দক্ষিণপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে বৃদ্ধ আব্দুল আওয়ালের জবাই করা মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলের পাশেই হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ব্লেড উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে ঘটনার একদিন পর ১জুলাই, ২০১৩ তারিখে নিহতের ছেলে আসাদুজ্জামান মিয়া বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তবার পরেন মির্জাপুর থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক শ্যামল কুমার দত্তের উপর।

কিন্তু তদন্তচলাকালীন জানা যায় নতুন তথ্য। পুলিশের সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদে নিহতের ছেলে আসাদুজ্জামান জানান, নিজের বাবার সাথে সম্পর্ক ভালো না থাকায় ও সম্পত্তির ভাগ থেকে বঞ্চিত করায় ভাড়া করা লোক দিয়ে নিজের বাবাকে হত্যা করিয়েছে সে।

জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, ঘটনার আগে থেকেই রংপুরে গিয়ে অবস্থান নেয় আসাদুজ্জামান। পরে সেখান থেকে সে তার ঘনিষ্ট সহযোগী জহিরুল ইসলাম ঝড়ুকে অর্থের বিনিময়ে নিজের বাবাকে হত্যার নির্দেশ দেয়। পরে আসাদুজ্জামানের কথামতো ঝড়ু তার অপর তিন সহযোগী লুকিমুদ্দিন ওরফে লোকমান, মান্নান ও আব্দুল আওয়ালকে সাথে নিয়ে বৃদ্ধ আব্দুল আওয়ার ঘরের সিং কেটে প্রবেশ করে। পরে ধারালো বেøডের সাহায্যে তার গলায় আঘাত করে হত্যা করে মোবাইল ফোনে আসাদুজ্জামানকে জানিয়ে পালিয়ে যায়।

পরে আসাদুজ্জামান, ঝড়ু, লোকমান ও মান্নানকে আসামী করে ২০১৩ সালের ১ আগষ্ট অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি মহসিন শিকদার ও আসামীপক্ষের সরকার কর্তৃক নির্ধারিত আইনজীবি ছিলেন খন্দকার আজাহার হোসেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!