1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ন
১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১২ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গোবিন্দগঞ্জে স্কুল শিক্ষিকা হত্যাকান্ডের ঘটনায় দ্বিতীয় স্বামী আটক গাইবান্ধায় ট্রাক্টর চাপায় গৃহবধূ নিহত গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার আওতাধীন দু’টি রাস্তার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী তারাগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলন: মোবাইল কোর্টে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সাঘাটায় লাইসেন্সবিহীন সেমাই কারখানায় অভিযানে ২০ হাজার টাকা জরিমানা লালমনিরহাট খামারবাড়িতে উড়ছে না জাতীয় পতাকা, বিধিমালা জানেন না উপ-পরিচালক! লালমনিরহাটে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে ধর্ষন চেষ্টা, গণধোলাইয়ের শিকার বখাটে যুবক পলাশবাড়ীতে মহাসড়কের সংরক্ষিত জায়গা দখল: নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ঢাকা–হাটিকুমরুল–রংপুর ফোরলেন খামেনির মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ‘কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি’ দেওয়া হবে : বিপ্লবী গার্ডস

করোনাতে মারা যেতে পারেন সাড়ে ৪ কোটি মানুষ!

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে দিন দিন বেড়েই চলেছে মৃতের সংখ্যা। বর্তমানে বিশ্বের জনসংখ্যা ৭০০ কোটি। ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব অব্যাহত বাড়তে থাকলে ৪০০ কোটির বেশি লোক এতে আক্রান্ত হবেন। যদিও আক্রান্ত লোকের এক শতাংশও মারা যান, তবে সেই সংখ্যাও সাড়ে চার কোটি হবে।

ব্রিটেনের বিখ্যাত ট্যাবলয়েড ডেইলি মেইলের খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।

চীনা প্রশাসনিক অঞ্চলটির প্রধান জনস্বাস্থ্য চিকিৎসা কর্মকর্তা অধ্যাপক গ্যাবরিয়েল লুয়াং বলেন, এমনকি মৃতের হার যদি এক শতাংশেও পৌঁছায়, তবে এই ভাইরাসের সম্ভাব্য বিস্তারে কয়েক হাজার লোক মারা যাওয়ার আভাস দিচ্ছে।

অধ্যাপক লুয়াংয়ের ভাষ্য সঠিক হলে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি কার্যকর না হলে এই প্রাণঘাতী রোগে আক্রান্ত হয়ে সাড়ে চার কোটি মানুষ মারা যেতে পারেন। আক্রান্ত হতে পারে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অন্তত ৬০ শতাংশ।

চীনে ভাইরাসটির আক্রান্তের সংখ্যা আগের তুলনায় বাড়ছে না বলেই দেখা যাচ্ছে। গত আট দিনের মধ্যে পাঁচ দিনেই এটি কমতির দিকে ছিল। এর অর্থ এই নয় যে ভাইরাসটির আক্রান্তের সংখ্যা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। তবে এতে আশ্বস্ত হওয়ার মতো লক্ষণ রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সার্বিকভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকবে এবং দীর্ঘদিন হালকা করে দেখা হবে। কারণ এটি এখন পরিষ্কার যে কিছু রোগীর ক্ষেত্রে সংক্রমণের লক্ষণ সামান্যই ধরা দেয়।

আশার কথা হচ্ছে, করোনাভাইরাসের রোগনির্ণয় পরীক্ষা ও জ্ঞান বিস্তৃত হচ্ছে। লোকজন দ্রুতই রোগটি নির্ণয় করতে পারছেন এবং বিস্তাররোধে নির্জনে চলে যাচ্ছেন। এতে নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমছে।

ভাইরাসটিতে এ পর্যন্ত ৪৩ হাজার লোক আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন এক হাজার ১০০ জন। লন্ডন সফরের সময় গার্ডিয়ানকে অধ্যাপক লুয়াং বলেন, মহামারীর হিমশৈলের আকার ও গড়ন প্রতিষ্ঠাই এখন অগ্রাধিকার দেয়া উচিত।

ন্যাশনাল সেন্টার ফর ইমিউনাইজেশন অ্যান্ড রেসপাইটরি ডিজিজের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের পরিচালক ডা. ন্যানসি মেসোনিয়ার সোমবার বলেন, প্রেসক্লাবের অনুষ্ঠানে আক্রান্তের সংখ্যা কম করে দেখানো হয়েছে বলে তিনি এবং তার সংস্থার ধারণা।

অধিকাংশ বিশেষজ্ঞের মত, আক্রান্ত এক ব্যক্তি গড়ে আড়াইজনের শরীরে এই ভাইরাস ছড়িয়ে দিতে পারে। তাতে সংক্রমণের সংখ্যা ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ হওয়ার কথা। সে ক্ষেত্রে মৃত্যুর সংখ্যা খুবই কম বলেই ধরে নেয়া হচ্ছে।

হালকা লক্ষণ দেখা দেয়া যে এক শতাংশের রোগ এখনও নির্ণয় করা হয়নি, তাদেরও আমলে নিতে হবে বলে জানান অধ্যাপক লুয়াং। তিনি প্রশ্ন রাখেন– বিশ্বের ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ লোক কি আক্রান্ত হতে যাচ্ছেন? হয়তো সেটি হবে না। হয়তো স্রোতের মতো ধেয়ে আসবে।

তিনি বলেন, ভাইরাসটি হয়তো তার প্রাণহানির সংখ্যা কমিয়ে দেবে। সে যদি তার গতিপথের সবাইকেই হত্যা করে, তবে সেটি তার জন্য সহায়ক হবে না। কারণ এতে সে নিজেও মারা যাবে।

মহামারীর আকার নির্ধারণের পর এটির নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি কার্যকর কিনা অথবা সংক্রমণ বন্ধ হচ্ছে কিনা, সেদিকে মনোযোগ দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন এ চিকিৎসক।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর উহান শহরটি অচল করে দিয়েছে চীন। মূলত ভাইরাসটির বিস্তার রোধে বেপরোয়া চেষ্টা থেকেই এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

জাপান উপকূলের ডাইমন্ড প্রিন্সেস ক্রুজ শিপটিতে করোনাভাইরাস দেখা দিলে, সেটিও বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। উহান ও চীনের বিভিন্ন এলাকা থেকে ফিরে যাওয়া নাগরিকদের কোয়ারিন্টিন করে রাখছে বহু দেশ।আবার ভাইরাসটিতে আক্রান্ত ও এতে মারা যাওয়া লোকজনের সঠিক সংখ্যা প্রকাশ করা হচ্ছে না বলে চীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। এতে আক্রান্তের সত্যিকার সংখ্যা নির্ণয় করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!