
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় হামলা চালিয়ে মারধর ও ভাঙচুর করেছে যুবলীগের একটি গ্রুপ। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, পুলিশ, সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে দুটি প্রাইভেট গাড়ি।
শুক্রবার সকালে উপজেলা ভান্ডারী মহল এলাকায় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। যুবলীগের নেতাকর্মীরা হামলার সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর ও অবমাননা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।
ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রকিব বলেন, যুবলীগের মিছিলটি পুলিশ বেষ্টনীর মধ্যে থাকলেও তারা বেষ্টনি ভেদ করে হামলা চালায়। পুলিশ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।
প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানায়, শুক্রবার সকালে ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে উপজেলা আওয়ামী লীগ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক এমপি ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া। বেলা ১১টার দিকে উপজেলা যুবলীগের একটি মিছিল বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের র্যালি নিয়ে যাওয়ার পথে আওয়ামী লীগের সভাস্থলে প্রবেশ করে হামলা করে। পুলিশ মিছিলের সামনে থাকলেও তারা বাধা দিতে ব্যর্থ হয়।
এ সময় ছবি তুলতে গিয়ে আ. মমিন গাজী নামে এক সাংবাদিক হামলার শিকার হন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে হামলাকারীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে এএসআই মঞ্জুর আলম, এএসআই দিদার হোসেন, কনস্টেবল রাশেদ আহত হয়।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি যুদ্ধাহত বীরমুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটওয়ারী জানান, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের সভা চলাকালে যুবলীগের নামধারীরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করে। তারা বঙ্গবন্ধুর ছবি প্রধানমন্ত্রীর ছবিসহ আওয়ামী লীগ কার্যালয় ব্যাপক ভাঙচুর করে। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে জাতির পিতা ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি অবমাননা মেনে নেয়া যায় না।