1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১১ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
সাদুল্লাপুরে ‘শাবাব টিচিং হোম’-এর অসাধারণ সাফল্য ১৮ জনের মধ্যে ৭ জনের জুনিয়র বৃত্তি অর্জন গোবিন্দগঞ্জ আসনের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকনকে সংবর্ধনা প্রদান গাইবান্ধায় মানবতার ফেরিওয়ালার আয়োজনে ইফতার মাহফিল গোবিন্দগঞ্জে হ্যাকার চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার গণমাধ্যমকে স্বাধীনতা দিতে হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী নির্দয় কসাইয়ের হাতে গর্ভবতী পশু: ক্রেতা হয়ে হাজির তারাগঞ্জের ইউএনও মোনাব্বর হোসেন। মানবিকতার অনন্য নজির: তারাগঞ্জে অকালপ্রয়াত বিদ্যুৎ শ্রমিকের এতিম সন্তানদের অভিভাবক হলেন ইউএনও মোনাব্বর হোসেন। তারাগঞ্জে প্রতি শুক্রবার ফ্রি চিকিৎসাসেবা,উদ্বোধন করলেন এমপি এটিএম আজহারুল ইসলাম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে টাইগ্রেসরা পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জঙ্গি হামলায় নিহত ২০

লালদীঘিতে ২৪ জনকে হত্যা মামলায় ৫ জনের ফাঁসি

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২০
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের আমলে চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে আ.লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার জনসভার আগে গুলি চালিয়ে ২৪ জনকে হত্যা মামলার রায়ে পাঁচজনকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে।

আজ সোমবার বিকেল ৩টার কিছু পরে চট্টগ্রাম জেলা দায়রা জজ ইসমাইল হোসেনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেছেন।

যাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে তারা হলেন- মমতাজ উদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান, প্রদীপ বড়ুয়া, গোপাল চন্দ্র (জেসি) মণ্ডল ও আব্দুল্লাহ। এরা প্রত্যেকেই পুলিশের সাবেক সদস্য এবং একমাত্র গোপাল চন্দ্র পলাতক, বাকিরা কারাগারে আছেন।

১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি নগরীর লালদীঘি ময়দানে সমাবেশে যাওয়ার পথে আ.লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে পুলিশ এলোপাতাড়ি গুলি চালালে ২৪ জন মারা যান। আহত হন দু’শতাধিক মানুষ।

৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ স্বৈরাচার এরশাদের পতনের পর ১৯৯২ সালের ৫ মার্চ আইনজীবী মো. শহীদুল হুদা বাদী হয়ে এ ঘটনায় মামলা করেন। ১৯৯৬ সালে আ.লীগ সরকার গঠনের পর মামলাটি পুনরায় প্রাণ ফিরে পায়। আদালতের আদেশে মামলাটির তদন্তের ভার পড়ে সিআইডির ওপর।

সিআইডি ১৯৯৭ সালের ১২ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে আদালতে। আবারও আদালতের নির্দেশে অধিকতর তদন্ত শেষে ১৯৯৮ সালের ৩ নভেম্বর পুলিশের আট সদস্যকে আসামি করে দ্বিতীয় দফায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি চাঞ্চল্যকর এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

পাঁচ আসামির মধ্যে তিনজন মারা গেছেন। তারা হলেন- চট্টগ্রামের তৎকালীন পুলিশ কমিশনার মীর্জা রকিবুল হুদা, কনস্টেবল বশির উদ্দিন ও আব্দুস সালাম।

পুলিশের গুলিতে যারা নিহত হয়েছিলেন:-

মো. হাসান মুরাদ, মহিউদ্দিন শামীম, এথলেবার্ট গোমেজ কিশোর, স্বপন কুমার বিশ্বাস, স্বপন চৌধুরী, পঙ্কজ বৈদ্য, বাহার উদ্দিন, চান্দ মিয়া, অজিত সরকার, রমেশ বৈদ্য, বদরুল আলম, ডি কে চৌধুরী, পলাশ দত্ত, আব্দুল কুদ্দুস, গোবিন্দ দাশ, শাহাদাত, সাজ্জাদ হোসেন, আব্দুল মান্নান, সবুজ হোসেন, কামাল হোসেন, বি কে দাশ, সমর দত্ত, হাসেম মিয়া ও মো. কাসেম।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!