
কক্সবাজারের রামুর আরকান সড়কের লম্বা ব্রিজ থেকে পিকনিকের বাস খাদে পড়ে ৩০ জন আহত হয়েছেন।
আজ শনিবার ভোর সাড়ে ৫টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছিলেন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
পিকনিকে অংশ নেয়া ডাকসুর সদস্য মাহমুদুল হাসান জানান, ঢাকা থেকে দুটি বাসে ১১৭ শিক্ষার্থী শুক্রবার রাত ৯টার দিকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওনা দেন। এই ট্যুরটি ছিল ঢাকার মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে। এখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২৫ শিক্ষার্থী ছিলেন। তবে দুর্ঘটনার শিকার বাসে ঢাবির ৪-৫ শিক্ষার্থী ছিলেন। বাকিরা ঢাকার কয়েকটি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
ওই বাসের যাত্রী আহত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান জানান, ঢাকাস্থ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্টুডেন্ট ওয়েব দুটি বাস নিয়ে ঢাকা থেকে সেন্টমার্টিন ভ্রমণে যাচ্ছিল। তারা সবাই মির্জাগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা এবং ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও পেশাজীবী।
তিনি আরও জানান, বাসের যাত্রীরা ভোরে ঘুমে ছিলেন। হঠাৎ বাসটি খাদে পড়ে যায়। এতে বাসের যাত্রীরা সবাই আহত হন। খবর পেয়ে বিজিবি, পুলিশ ও দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে এসে দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি থেকে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। রামু হাইওয়ে পুলিশের একটি দল এসে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া বাসটি নিজেদের কব্জায় নেন। উদ্ধারকারীরা বাসটি তুলতে সহযোগিতা করেন। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয় লোকজনও যোগ দেন।রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ওয়ালিউর রহমান ও ডা. অনিক বড়ুয়া জানান, সকাল ৬টার দিকে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৩৫ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে গুরুত্বর আহত ১৮ জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। তবে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।