1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন
১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১১ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ীতে বসতবাড়ীতে মব সৃষ্টি করে চাঁদা দাবি, প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন পলাশবাড়ীতে পলাশফুলের চারা রোপণে খবরবাড়ি টুয়েন্টি ফোর ডটকমের ব্যতিক্রমী আয়োজন রমজানে দুলুর নির্দেশে বিএনপির ‘জনতার বাজার’ অর্ধেক দামে পণ্য পেয়ে স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে পলাশবাড়ীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা পাটগ্রামে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, ওয়ালটন প্লাজা ম্যানেজারের মর্মান্তিক মৃত্যু সাদুল্লাপুরে ‘শাবাব টিচিং হোম’-এর অসাধারণ সাফল্য ১৮ জনের মধ্যে ৭ জনের জুনিয়র বৃত্তি অর্জন গোবিন্দগঞ্জ আসনের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকনকে সংবর্ধনা প্রদান গাইবান্ধায় মানবতার ফেরিওয়ালার আয়োজনে ইফতার মাহফিল গোবিন্দগঞ্জে হ্যাকার চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার গণমাধ্যমকে স্বাধীনতা দিতে হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

মিসরে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষিকাদের নেকাব পরায় নিষেধাজ্ঞা!

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২০
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

নারীদের ফরজ বিধান নেকাবের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন মিসরের সর্বোচ্চ আদালত। এ নিষেধাজ্ঞার ফলে মিসরসহ বিশ্বব্যাপী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক সমালোচনার ঝড়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার (আরবি) এক প্রতিবেদনে তা প্রকাশ করে।

শিক্ষকাদের নেকাব পরার নিষেধাজ্ঞা জারি করে মিসরের সর্বোচ্চ অদালত। গত শনিবার (৪ জানুয়ারি) মিসরের সর্বোচ্চ আদালতের বিচারক এ আপিল নিষ্পত্তির রায় ঘোষণা করেন। এরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিশ্বব্যাপী শুরু হয় সমালোচনার ঝড় ও প্রতিবাদ।

আদালতের যুক্তি উন্থাপন করেন, নেকাব শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যকার সম্পর্ক ও যোগাযোগের বিষয়টি সহজ ও ফলপ্রসূ হওয়ার অন্তরায়। এ যুক্তির আলোকে নিষেধাজ্ঞা জারি করে আদালত। আদালত আরও জানায় নেকাবের নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র শিক্ষিকাদের জন্য, মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য নয়।

এরআগে ২০১৬ সালে মিসরের সর্বোচ্চ অদালতে কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকাব পরা নারী শিক্ষিকারা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনের জারি করা নেকাব নিষেধাজ্ঞার আদেশ বাতিলের আপিল করেন। শিক্ষিকাদের করা আপিল মামলা নিষ্পত্তিতেও নেকাব পরার উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখে আদালত চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন।

নেকাব পরা নারী শিক্ষিকাদের আইনজীবী আহমাদ মেহরান বলেন, ‘কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ নারী ২০১৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দেয়া আদেশের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করেছিল। শনিবার দেশটির সর্বোচ্চ আদালত নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেই রায় প্রদান করেন। এ রায়ে সাধারণ জনগণের কোনো সমর্থন নেই। তারপরও জনসম্মতির বাইরে গিয়ে সর্বোচ্চ আদালত এ রায় দেয়। যার কোনো কারণ আমাদের জানা নেই।

উল্লেখ্য, কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য জাবির নেসার ২০১৩ সালের আগে থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষিকাদের নেকাব পরায় নিষেধাজ্ঞার প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিলো। কিন্তু ইসলামপন্থী মুরসি সরকার ক্ষমতায় আসলে কিছুটা পিছু হটেন জাবির নেসার।

২০১৩ সালে মুহাম্মদ মুরসি ক্ষমতাচ্যুত হলে ওই উপাচার্য দুই বছরের মাথায় ২০১৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষিকাদের নেকাব পরায় নিষেধাজ্ঞা আইন বাস্তবায়নে সক্রিয় হয়ে ওঠেন এবং প্রশাসনিকভাবে নেকাবের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

যেসব শিক্ষিকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেকাব পরেন, তারা প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন। কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮০ জন নারী শিক্ষকতার পেশায় নিযুক্ত। যার নিয়মিত নেকাব পরেন।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইসলামিক স্কলার ও বিশেষজ্ঞরা মিসরের সর্বোচ্চ আদালতের এই রায়কে গভীর ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়েছেন। মিসরকে বিধর্মী শক্তির ষড়যন্ত্রের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু উল্লেখ করেছেন।এই রায়কে সিসি সরকারের কোনো অশুভ পরিকল্পনার অংশও বলছেন অনেকে। এ রায়ে মিসরসহ বিশ্বব্যাপী চলছে সমালোচনা ও প্রতিবাদের ঝড়। তারা এই রায় প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানান।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!