1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন
১৪ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১০ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
নির্দয় কসাইয়ের হাতে গর্ভবতী পশু: ক্রেতা হয়ে হাজির তারাগঞ্জের ইউএনও মোনাব্বর হোসেন। মানবিকতার অনন্য নজির: তারাগঞ্জে অকালপ্রয়াত বিদ্যুৎ শ্রমিকের এতিম সন্তানদের অভিভাবক হলেন ইউএনও মোনাব্বর হোসেন। তারাগঞ্জে প্রতি শুক্রবার ফ্রি চিকিৎসাসেবা,উদ্বোধন করলেন এমপি এটিএম আজহারুল ইসলাম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে টাইগ্রেসরা পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জঙ্গি হামলায় নিহত ২০ তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা গাইবান্ধায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুড়ি উৎপাদন : ৪০ হাজার টাকা জরিমানা ইসলামী ছাত্রশিবিরের গাইবান্ধা জেলা কমিটি ঘোষণা সভাপতি ইউসুফ এবং সেক্রেটারী ফাহিম ১২ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত: মন্ত্রিপরিষদ সচিব সরকার দেশটাকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে চায়: প্রধানমন্ত্রী

‘বিয়ের জন্য চাপ দেয়ায় ভাবি-ভাতিজাকে খুন’

  • আপডেট হয়েছে : শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২০
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় মা-ছেলে খুনের ঘটনার হত্যা রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। পরকীয়া প্রেমের জের ধরে শিশু সন্তানসহ গৃহবধূ পারভীনকে খুন করেছে তারই দেবর।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের হাতে গ্রেফতারের পর দেবর সোলাইমান হোসেন (২৮) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

গত বুধবার (৮ জানুয়ারি) রাতে সাটুরিয়া উপজেলার কাউন্নারা গ্রামের নিজ বাসা থেকে সৌদি প্রবাসী মজনু মিয়ার স্ত্রী পারভীন বেগম ও ছয় বছরের শিশু নূর মোহাম্মদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে পারভীনের মা মজিরন বেগম সাটুরিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়, দেবর সোলাইমানের সঙ্গে তার ভাবি পারভীনের ৫/৬ বছর ধরে পরকীয়া প্রেম চলছিল। তিন মাস আগে সোলাইমান মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরেন। এরপর থেকেই ভাবি তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন।

গত বুধবার রাতে সোলাইমান তার ভাবির রুমে গিয়ে অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। এ সময় ভাবি তাকে আবারও বিয়ের কথা বলেন এবং গালিগালাজ করতে থাকেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সোলাইমান বিছানা থেকে নেমে এসে রুমের ভেতরে থাকা ধারালো ছুরি নিয়ে প্রথমে ভাবির গলায় আঘাত করেন। পাশে ঘুমিয়ে থাকা ভাতিজা নুর মোহাম্মদ জেগে ওঠলে সোলাইমান তাকেও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। ভাবি ও ভাতিজাকে হত্যার পর সোলাইমান ছুরি ও নিজের রক্তমাখা পোশাক ধুয়ে রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন।জোড়া খুনের মামলার বাদী সাটুরিয়া থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম জানান, সোলাইমানকে গতকাল শুক্রবার দুপুরে আটক করা হয়। পুলিশের কাছে তিনি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাকে মানিকগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল রাফিন সুলতানার আদালতে তোলা হলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!