1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১১ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ীতে বসতবাড়ীতে মব সৃষ্টি করে চাঁদা দাবি, প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন পলাশবাড়ীতে পলাশফুলের চারা রোপণে খবরবাড়ি টুয়েন্টি ফোর ডটকমের ব্যতিক্রমী আয়োজন রমজানে দুলুর নির্দেশে বিএনপির ‘জনতার বাজার’ অর্ধেক দামে পণ্য পেয়ে স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে পলাশবাড়ীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা পাটগ্রামে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, ওয়ালটন প্লাজা ম্যানেজারের মর্মান্তিক মৃত্যু সাদুল্লাপুরে ‘শাবাব টিচিং হোম’-এর অসাধারণ সাফল্য ১৮ জনের মধ্যে ৭ জনের জুনিয়র বৃত্তি অর্জন গোবিন্দগঞ্জ আসনের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকনকে সংবর্ধনা প্রদান গাইবান্ধায় মানবতার ফেরিওয়ালার আয়োজনে ইফতার মাহফিল গোবিন্দগঞ্জে হ্যাকার চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার গণমাধ্যমকে স্বাধীনতা দিতে হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

উইঘুর ১০ লাখ বন্দি করোনাভাইরাসের ঝুঁকিতে

  • আপডেট হয়েছে : মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২০
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

উহানের করোনাভাইরাস পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়াংয়েও পৌঁছে গেছে। বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের নামে এই অঞ্চলটিতে ১০ লাখ উইঘুর মুসলমানকে বন্দি করে রেখেছে চীন সরকার।

গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় সেখানকার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বলছে, ৪৭ বছর বয়সী লি ও ৫২ বছর বয়সী গিউ নামের দুই ব্যক্তি জিনজিয়াংয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।-খবর বিজনেস ইনসাইডারের

কর্তৃপক্ষ বলছেন, ওই দুই ব্যক্তি হুবাইয়ের রাজধানী উহানে ভ্রমণে গিয়েছিলেন। গত ১০ জানুয়ারি উহানে প্রথম এই রোগ ধরা পড়েছে। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের বরাতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালও বলছেন, জিনজিয়াংয়ে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে।

এই ঘটনাকে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। যদি সেখানে এই রোগের উপদ্রব ঘটে, তবে আটক ১০ লাখ উইঘুর মুসলমান সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ে যাবেন। জিনজিয়াংকে পূর্ব তুরকিস্তান নামে ডাকেন উইঘুররা।

তাদের আটকে রাখার এসব ক্যাম্পের পরিবেশ প্রচণ্ড নোংরা। অবকাঠামো ব্যবস্থাও ভালো না। ডিট্নেশন সেন্টারগুলোতে ঠাসাঠাসি করে বন্দি রাখা হয়েছে এসব মুসলমানকে।

জিনজিয়াংয়ে ৪৬৫টি ক্যাম্প রয়েছে। এসব ক্যাম্পের সাবেক এক বন্দি ওমর ২০১৮ সালে বিবিসিকে বলেন, আরও ৪৫ জনের সঙ্গে একটি কক্ষে তাকে আটকে রাখা হয়েছিল। ঘুমানোর জন্য তারা খুব কম জায়গা পেতেন।

বছর দুয়েক আগে এই ক্যাম্প থেকে পালিয়ে এসেছিলেন সাইরাগুল সৌবেই নামের এক ব্যক্তি। হারিৎসকে তিনি বলেন, সেখানকার খাবার খুবই বাজে। ঘুমানোর জন্য যথেষ্ট জায়গা পাওয়া যায় না। পরিবেশও যথেষ্ট অস্বাস্থ্যকর।

তিনি জানান, ১৬ বর্গমিটারের একটি কক্ষে তারা ১৬ জন থাকতেন। প্রতিটি রুমে টয়লেটের জন্য প্লাস্টিকের একটি বালতি ছিল। সেটা ব্যবহার করতে একজন বন্দিকে দুই মিনিট করে সময় দেয়া হত। দিনে একবার সেই বালতি পরিষ্কার করা হতো।

যদি উহানের এই ভাইরাস জিনজিয়াংয়ে ছড়ায়, তবে বন্দিদের ওপর তার মারাত্মক প্রভাব পড়বে। বিশ্ব উইঘুর কংগ্রেসের সভাপতি দুলকুন ইসা বলেন, লাখ লাখ লোকের জীবন ঝুঁকিতে পড়ে যাবে।জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের চীন ও মধ্যএশিয়ার ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক জেমস মিলওয়ার্ড এক টুইটার পোস্টে বলেন, ঠাসাঠাসি করে বসবাস, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা না থাকায় ব্যাপক বিপর্যয় নেমে আসতে পারে আটক উইঘুর মুসলমানদের ওপর।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!