
জনপ্রিয় হাকিমপুরী জর্দায় যে লটের পণ্যে ক্ষতিকারক লেড, কেডমিয়াম, ক্রমিয়াম পাওয়া গেছে সেই লটের সমস্ত পণ্য বাজার থেকে তুলে নেয়ার আদেশ দিয়েছে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত।
এই জর্দা বাজার থেকে তুলতে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবারই নিরাপদ খাদ্য আদালতে মামলাটি করেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পরিদর্শক কামরুল হাসান। এতে হাকিমপুরী জর্দার মালিক হাজী কাউস মিয়াকে আসামি করা হয়।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ৭ নভেম্বর হাকিমপুরী জর্দার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করে দেখা যায় তাতে হেভিমেটাল- লেড, কেডমিয়াম, ক্রমিয়াম রয়েছে। যা ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। এছাড়া এই জর্দা গ্রহণকারীর হাড় ক্ষয়, কিডনি ও লিভারের সমস্য, চর্মরোগসহ নানা রোগ হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
এই মামলার বিষয়ে হাকিমপুরী জর্দার কোম্পানি কাউছ কেমিকেল ওয়ার্কস কোম্পানির মালিক কাউছ মিয়ার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এই তামাক ব্যবসায়ী জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে এবারসহ মোট ১৪ বার সর্বোচ্চ করদাতার পুরস্কার পেয়েছেন।