
পাকিস্তান থেকে ৬২৯ জন নাবালিকা ও মহিলাদের চীনের বাজারে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় তাঁদেরকে জোর করে চীনে বিয়ে দিয়ে দেওয়া, ধনী চীনাদের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার মতো তথ্য এবার প্রকাশ্যে আনল পাকিস্তান।
কিন্তু এই পাচারের ঘটনা নাকি জানেই না চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
২০১৮ সালে পাচারের ঘটনায় কত সংখ্য মহিলাকে অন্য দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তার একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হয়। এই বিপুল সংখ্যক পাচারের পিছনে রয়েছে পাকিস্তান ও বেজিংয়ের জোট। বেজিংয়ের সঙ্গে জোটের পরই এই পাচারের সংখ্যা বিপুল হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
সম্প্রতি, পাচারের কাজে যুক্ত ৩১জন চীনা ব্যাক্তিকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্যদিকে পুলিশের হস্তক্ষেপে মহিলাদের সচেতন করার চেষ্টা হলেও তা ব্যর্থ হয়েছে বহুবার। কারণ, পরিবারের চাপে কিংবা ভয় দেখিয়ে চুপ থাকার হুমকি দিয়ে বেশিরভাগ মেয়েকেই হাতের পুতুল করে রেখে দেওয়া হয়। ফলে পুলিশ বা আদালত কেউই শেষমেশ সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। মুখ খুললেই মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে মুখ বন্ধ করে রাখায় মেয়েরা সাহস করে এগিয়ে আসতে পারছে না বলেই মনে করছে তদন্তকারীরা। এ বিষয়ে এক পাক তদন্তকারী অফিসার জানিয়েছেন, এই নাবালিকা ও মহিলাদের জন্য কেউ এগিয়ে আসছে না। গোটা প্রক্রিয়াটি এখনও চলছে। এটা আরও দিনে দিনে বাড়ছে। কেন জানেন? কারণ তারা জানে তারা এটা করে পার পেয়ে যাবে। কর্তৃপক্ষও চেষ্টা করছে না। সকলেই জোর করছে, যাতে এই বিষয়ে তদন্ত না হোক। ফলে পাচারের ঘটনা বেড়েই চলেছে এখন। সূত্র- এই সময়।